গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে ধেয়ে আসছে ‘বুলবুল’

Spread the love

আলোকিত দেশ প্রতিবেদক: ঠিক এক যুগ আগে ২০০৭ সালের ১১ নভেম্বরে সিডরের আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়েছিল উপকূল। প্রলয়ঙ্করী ওই ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ যায় তিন হাজারের বেশি মানুষের। ১৯৭০ সালের ১১ নভেম্বর ভোলায় ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ গিয়েছিল ১০ লাখ মানুষের। আবার এসেছে নভেম্বর, আবার আসছে ঘূর্ণিঝড়। ধ্বংসের হুমকি নিয়ে বঙ্গোপসাগর থেকে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ‘বুলবুল’। ঘণ্টায় ১২০ থেকে ১৬৫ কিলোমিটারের ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে পাঁচ থেকে সাত ফুট উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে আজ শনিবার রাতে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে।

এদিকে বুলবুলের কারণে সারাদেশে আজ শনিবার অনুষ্ঠেয় জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক গতকাল রাতে জানান, স্থগিত হওয়া জেএসসি পরীক্ষাটি আগামী ১২ নভেম্বর ও জেডিসি পরীক্ষা ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আজকের সব পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে গতকাল শুক্রবার ঢাকাসহ সারাদেশে সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। দুপুর থেকে শুরু হয় ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। উপকূলীয় এলাকায় টানা বর্ষণে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়ে। ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষায় উপকূলের বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। মোংলা ও পায়রায় ৭ নম্বর এবং চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। কক্সবাজার বন্দরকে ৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সব বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সারাদেশে নৌ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকাল সন্ধ্যা ৬টায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুল চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ৬২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, কক্সবাজার বন্দর থেকে ৫৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, মোংলা বন্দর থেকে ৪৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। দ্রুত উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল।

২ নভেম্বর উত্তর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি বুধবার ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়। এর গতিপথ ছিল উত্তর-পশ্চিমমুখী। ভারতের ওডিশার দিকে যাওয়ার কথা ছিল ঝড়টির। গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে গতিপথ বদলাতে শুরু করে বুলবুল। বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের মাঝামাঝি দিকে এগোতে শুরু করে। গতকাল গতিপথ আরও উত্তর-পূর্ব দিকে বাংলাদেশের দিকে রওনা হয় পাকিস্তানের প্রস্তাবে বুলবুল নাম পাওয়া ঘূর্ণিঝড়টি।

আবহাওয়াবিদ আবদুল হামিদ সমকালকে জানান, আপাতত ঘূর্ণিঝড়ের গতিমুখ সুন্দরবনের দিকে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার; যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছিল।

তবে পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরের আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পটুয়াখালীর খেপুপাড়া দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে বুলবুল। উপকূল অতিক্রমের সময় তা অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। আজ ভোরে ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ হতে পারে ১৫০ থেকে ১৭৫ কিলোমিটার। উপকূল অতিক্রম করার সময় গতি থাকতে পারে ১১০ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার। আজ মধ্যরাতে ঘূর্ণিঝড় উপকূল অতিক্রম করার সময় ভারি বর্ষণ হতে পারে। বর্ষণের কারণে ঘূর্ণিঝড় শক্তি হারাতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলে আঘাত হানার সময় পাঁচ থেকে সাত ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান। গতকাল সন্ধ্যায় সচিবালয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, ঘূর্ণিঝড়টির গতি-প্রকৃতি দেখে মনে হচ্ছে এটি আঘাত হানতে পারে। প্রতিটি জেলায় দুর্যোগ প্রস্তুতি কমিটির সভা হয়েছে। তারা যথাযথ প্রস্তুতি নিয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতিতে শুক্রবার বিকেলে সচিবালয়ে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির বৈঠক হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান। পরে সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, বরগুনা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর ও ভোলা জেলাকে ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় রাখা হয়েছে। সাত জেলার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে লোক সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোয় দুই হাজার প্যাকেট করে শুকনো খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

ছুটির দিনেও জরুরি সভা করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিগুলো। দুর্যোগ-পরবর্তী চিকিৎসাসেবার জন্য মেডিকেল টিম গঠনসহ দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ-পরবর্তী সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য সংশ্নিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছে উপকূলীয় জেলা প্রশাসন।

এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে গতকাল সকাল থেকে পর্যটকবাহী জাহাজসহ অন্যান্য নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় সেন্টমার্টিন দ্বীপে আটকা পড়েন হাজারের বেশি পর্যটক। ঘূর্ণিঝড়ের তথ্য দিতে গিয়েও হিমশিম খাচ্ছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গতকাল কারিগরি জটিলতায় তাদের ওয়েবসাইটে ১২ ঘণ্টা তথ্য হালনাগাদ কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপকূলবর্তী জেলাগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আগামী ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত কর্মস্থলে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাউবোর জনসংযোগ পরিদপ্তরের পরিচালক মুন্সী এনামুল হক সমকালকে বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলে যেন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নৌযান চলাচল বন্ধ :রাজধানীর সদরঘাট টার্মিনাল থেকে সব ধরনের যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। গতকাল সন্ধ্যা ৭টা থেকে সদরঘাট থেকে কোনো লঞ্চ ছেড়ে যায়নি।

বিআইডব্লিউটিএর সদরঘাট টার্মিনালের নৌযান পরিদর্শক শাহনেওয়াজ জানান, গতকাল দুপুর ১২টা থেকে সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলসহ কয়েকটি রুটের যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ ছিল। সন্ধ্যা ৭টা থেকে সব রুটের সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করা হয়। আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত সমুদ্র উপকূলে সব ধরনের লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে বলেও জানান তিনি।

সারাদেশের পরিস্থিতি :ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে সারাদেশে সৃষ্ট পরিস্থিতি উঠে এসেছে ব্যুরো, অফিস, নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবরে-

কক্সবাজার :আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুলবুলের কারণে সাগর উত্তাল রয়েছে। গতকাল সকাল থেকে উপকূলীয় অঞ্চলে হালকা বৃষ্টি হচ্ছে। জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক ফুট বাড়তে পারে। কক্সবাজারকে গতকাল ভোর ৬টা থেকে ৪ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়। বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নৌযানগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন গতকাল বিশেষ প্রস্তুতি সভা করেছে।

টেকনাফ (কক্সবাজার) :উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন পাহাড় ও বন কেটে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গার মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

চট্টগ্রাম :সতর্ক সংকেতের কারণে বন্দরের বহির্নোঙরে বন্ধ হয়ে গেছে পণ্য খালাস কার্যক্রম। এতে গতকাল সকাল থেকে লাইটার জাহাজগুলো কর্ণফুলী নদীর নিরাপদ স্থানে ভেড়ানো হয়েছে। বন্দর সচিব ওমর ফারুক জানান, মূল জেটিতে কনটেইনার ও কার্গো খালাস স্বাভাবিক রয়েছে। সংকেত বাড়লে ধাপে ধাপে হ্যান্ডলিং কার্যক্রম কমিয়ে আনা হবে।

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) :বৃহস্পতিবার রাত থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। সাগর উত্তাল হয়ে যাওয়ায় মাছ শিকার বন্ধ করে উপকূলে ফেরার পথে ট্রলার থেকে পড়ে বেল্লাল হোসেন (৪০) নামে এক জেলে নিখোঁজ হয়েছেন। গতকাল ভোরে কুয়াকাটার ঝাউ বাগান-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এফ বি মা কুলসুম ট্রলার থেকে তিনি পড়ে যান।

নোয়াখালী :গতকাল থেকে জেলার পুরো আকাশ মেঘাচ্ছন্ন এবং গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল। উপকূলীয় উপজেলা হাতিয়া, সুবর্ণচর ও কোম্পানীগঞ্জে জরুরি দুর্যোগ মোকাবিলা বিষয়ক সভা হয়েছে। নোয়াখালীর সঙ্গে হাতিয়ার নৌ-যোগাযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

পিরোজপুর :গতকাল সকাল থেকে দেখা মেলেনি সূর্যের। গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টিও হচ্ছিল। রাস্তাঘাটেও মানুষের তেমন দেখা মেলেনি। সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন।

লক্ষ্মীপুর ও কমলনগর :জেলায় গতকাল সকাল থেকে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে আসার জন্য করা হয় মাইকিং। এ ছাড়া সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি প্রস্তুতিমূলক সভা হয়েছে।

বাগেরহাট :সুন্দরবনের দুবলা শুঁটকিপল্লির ১৫ হাজার জেলেসহ সুন্দরবনে অবস্থানরত পর্যটকদের ফিরিয়ে আনতে কাজ শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। দুই শতাধিক আশ্রয়কেন্দ্র খোলার পাশাপাশি সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

মোংলা (বাগেরহাট) :ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর ও সংলগ্ন সুন্দরবনের নদ-নদী খুবই উত্তাল রয়েছে। এজন্য গতকাল সকালে চার নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে। মোংলা বন্দরের জন্য রয়েছে বিশেষ সতর্কতা। গতকাল দুপুর থেকে বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়। এ ছাড়া বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সুন্দরবন উপকূলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া টর্নেডোর কবলে পড়ে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

খুলনা :গতকাল খুলনা সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা হয়। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৩৪৯টি সাইক্লোন শেল্টার। উপকূলীয় চারটি উপজেলায় চলছে মাইকিং। গতকাল সকাল থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল, দুপুর থেকে শুরু হয় গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি।

বরগুনা :জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জরুরি সভা হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি এ সভার আয়োজন করে। দুর্যোগ মোকাবিলায় কাজ করবে সাড়ে সাত হাজার স্বেচ্ছাসেবক, প্রস্তুত আছে ৫০৯টি আশ্রয়কেন্দ্র।

পাথরঘাটা (বরগুনা) :বৃহস্পতিবার মধ্য রাত থেকে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। স্বাভাবিকের চেয়ে পানির উচ্চতা বেড়েছে। অনিশ্চয়তায় রয়েছেন উপকূলের কয়েক হাজার জেলে। সাগর উত্তাল থাকায় মাছ ধরার জন্য গিয়ে আর কূলে ফিরতে পারছেন না তারা। এজন্য প্রশাসনের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

ভোলা :বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে চর কুকরিমুকরিসহ উপকূলীয় এলাকায় গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। ১৩ হাজার স্বেচ্ছাসেবক ও ৬৬৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া আটটি কন্ট্রোল রুম খোলার পাশাপাশি অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

বরিশাল :জরুরি সভা করেছে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি। এতে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান। এ ছাড়া উপকূলের সর্বত্র মাইকিং করে সবাইকে সতর্ক করছেন ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কেন্দ্রের (সিপিপি) স্বেচ্ছাসেবকরা। ১০ উপজেলায় ২৩২টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *