চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা বিএনপি নিয়ে ষড়যন্ত্র নয়ন বাঙ্গালীর শূন্যতা কোনো কিছুতেই পূরণ হচ্ছে না

Spread the love

স্টাফ রিপোর্টারঃ সদ্য শেষ হওয়া জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কাউন্সিলে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিকভাবে কাউন্সিলরদের ভোটে ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণ এবং কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নতুন কমিটি হওয়ায় প্রশংসায় ভাঁসছে বিএনপি। উজ্জীবিত হয়ে উঠেছে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। ছাত্রদলের কাউন্সিল সফলভাবে শেষ হওয়ায় তাদের প্রত্যাশা অতিতের ন্যায় আর ভুল করবেনা নেতৃৃবৃন্দ। দলছুট, অন্য দল থেকে আসা হাইব্রীড নেতাদের বাদ দিয়েই গঠন করা হবে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সর্বস্তরের কমিটি।

২০১৭ সালে ৮ই ফেব্রæয়ারী চৌদ্দগ্রামের জিএম তাহের পলাশীকে আহবায়ক, এয়াছিন পাটোয়ারীকে ১নং যুগ্ম আহবায়ক এবং সাবেক কমিশনার হারুনুর রশিদকে সদস্য সচিব করে পৌর বিএনপি’র আহবায়ক কমিটি ঘোষনা করে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি। কমিটি ঘোষনার ৪ মাসের মধ্যে সম্মেলনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার নির্দেশনা থাকলেও বিগত আড়াই বছরেও সম্মেলন কিংবা পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেনি আহবায়ক কমিটি।

১২ই নভেম্বর ২০০৯ সালে প্রথম সম্মেলনের মাধ্যমে ব্যাপক ঝাকঝমক পূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠিত হয় চৌদ্দগ্রামের পৌর বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অধ্যাপক ইয়াছিন পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে এই সম্মেলনে প্রথম নির্বাচিত ও পৌর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে অভিসিক্ত হন জাতীয় যুবনেতা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি গোলাম রাব্বানী নয়ন বাঙ্গালী ও তার সাথে সাধারন সম্পাদক প্রভাষক ইয়াকুব আলী। ৩০দিনের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ কমিটি বাস্তবায়নে কুমিল্লা (দ.) জেলা বিএনপির সভানেত্রী বেগম রাবেয়া চৌধুরী ও সাধারন সম্পাদক হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন পৌরসভাকে নিয়মতান্ত্রিক পৌরসভা ঘোষনা করেন ঐ সময়। সেই কমিটি ২০১০সালে প্রতিটি গ্রাম তথা ২৬টি গ্রাম সম্মেলন ও ৯টি ওয়ার্ডে ওয়ার্ড সম্মেলন করেন এবং একটনা ৫ বছর দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন করে জেলাকে ২০১৫ সালে অবহিত করেন নয়ন বাঙ্গালী যে তিনি তার স্বপদে বহাল থাকবেনা।

২০১৬ সালে কুমিল্লা জেলা তখন ৯০ দিনের জন্য জিএম তাহের পলাশীকে আহবায়ক ও হারুনুর রশিদ মজুমদারকে সদস্যসচিব করে দায়িত্ব দেন। কিন্তু তারা দীর্ঘ আড়াই বছরেও একসাথে বসতে পারেননি তারা। নানা অভিযোগে অভিযুক্ত জিএম তাহের পলাশীর বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অভিযোগ। শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারনে দল বিভিন্ন সময় হুশিয়ারি প্রদান করেন। চাদাবাজি থেকে শুরু করে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সাথে রয়েছে তার অনেক দূরত্ব।

উল্লেখ্য যে, ইতিমধ্যে পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক অধ্যাপক ইয়াছিন পাটোয়ারী, গাজী সহিদ, যুগ্ন আহবায়ক মোঃ হাসান, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদসহ কমিটির অনেকেই লিখিতভাবে কমিটি বাণিজ্য, দলের নামে চাদাবাজি, দলীয় অফিস ভাড়া দিয়ে অর্থ আততœসাৎসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে জেলার নিকট অনাস্থা জ্ঞাপন করেন। তার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ যে তার পরিবারের সব ভাই আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত এবং শহরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে। সেই শক্তিতেই সে বিএনপির রাজনীতি কওে যা কোন ভাবেই গ্রহনযোগ্য নয় বলে একাধিক নেতা-কর্মীরা জানান।
নয়ন বাঙ্গালী যে কমিটিগুলো গঠন করে দিয়েছে ও মাঠ পর্যায়ে যে নেতৃত্ব সৃষ্টি করে দিয়েছে তা এখনো বহাল আছে। তাহর পলাশী শত চেষ্টা করেও নয়ন বাঙ্গালীর সেই ইমেজ সৃষ্টি করতে পারেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *