উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে জাহাঙ্গীরনগরে দ্বিতীয় দিনের মতো ধর্মঘট

Spread the love

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় দিনের মতো ধর্মঘট চলছে।

বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ও পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে ধর্মঘট শুরু করেন ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

সকাল ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নূরুল আলম এবং রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) রহিমা কানিজ নতুন প্রশাসনিক ভবনে নিজেদের কার্যালয়ে প্রবেশের চেষ্টা করলেও আন্দোলনকারীদের অবরোধের মুখে ফিরে যান।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ও পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের প্রতিটি ফটকে অবস্থান নিয়ে প্রবেশের পথ বন্ধ করে দেয় আন্দোলনকারীরা। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের চূড়ান্ত পরীক্ষা ধর্মঘটের আওতাহীন রয়েছে।

উপাচার্যকে অপসারণের দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের (রাষ্ট্রপতি) কাছে চিঠি দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনের মুখপাত্র অধ্যাপক রায়হান রাইন।

তিনি বলেন, আমরা আজই আচার্যকে ফ্যাক্সের মাধ্যমে বর্তমান উপাচার্যকে অপসারণের যৌক্তিকতা জানাবো। উপাচার্যের দুর্নীতির বিষয়ে তাকে অবহিত করবো। আর দুপুরের মধ্যে আমরা বৈঠক করে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবো।’

এর আগে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগ তুলে তার স্বেচ্ছা পদত্যাগে ১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেধে দেন আন্দোলনকারীরা। ওই সময়ের মধ্যে পদত্যাগ না করায় বুধবার থেকে উপাচার্যকে অপসারণের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বাত্মক ধর্মঘট পালন করছে আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

এ দিকে আন্দোলনকারীদের দুর্নীতির অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আখ্যা দিয়ে এর বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার বিভিন্ন অনুষদ ভবনে গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করছে উপাচার্যের সমর্থক শিক্ষকদের সংগঠন ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ’।