বরুড়ায় জ্বর হওয়ায় পাউরুটি খেয়ে হসপিটালে আটদিন কাটালেন দুই দম্পতি

Spread the love

এমডি. আজিজুর রহমান, বরুড়া: বরুড়ার খোশবাস (দঃ) ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের বাসিন্দা ছানা উল্লাহ প্রস্রাবের ইনফেকশন থেকে জ্বরে আক্রান্ত হন। তিনি বরুড়ার একটি প্রাইভেট হসপিটালে কয়েকদিন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার জন্য হসপিটাল থেকে ছাড়পত্র নেন।

বাড়ী থেকে খবর আসে বাড়ি লকডাউন দেওয়া হয়েছে ওরা বাড়ীতে ঢুকতে পারবে না। বিভিন্নভাবে হুমকি আসায় এবং থাকার জায়গা না পেয়ে পুনরায় হসপিটালে ভর্তি হয়ে থেকে যান।

ছানা উল্লার স্ত্রী তানজিনা জানান, লকডাউনের কারনে কেউ খাবার নিয়ে বাড়ি থেকে আসতে না পারায় আজকে ৮ দিন হসপিটালে শুধু পাউরুটি খেয়ে কাটিয়েছেন। তার দুধের শিশু বাড়িতে থাকায় বুকের দুধ খাওয়াতে পারছেন না। তিনি চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলার পরেও বাড়িতে প্রবেশের বিষয়ে সম্মতি পাননি। এবং তার পরিবারের লোকজন আজ দুইদিন না খেয়ে রয়েছে। তিনি আরো বলেছেন, সম্ভব হলে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে তার পরিবারের পাশে দাড়ানোর জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বাংলাদেশ সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম-সচিব ও ঢাকাস্থ বরুড়া জনকল্যান সমিতির সভাপতি মনিন্দ্র কিশোর মজুমদারের দৃষ্টিগোছর হয়। তিনি এ বিষয়ে চেয়ারম্যানকে মুঠোফোনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আহ্বান করেন। এছাড়াও কুমিল্লা জেলা পরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগর সেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন ঐ নারী দম্পতির সাথে মুঠোফোনে কথা বলে সহযোগীতা করার আশ্বাস দেন।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আঃ রব জানান, তিনি এ বিষয়টি অবগত ছিলেন না। তবে আজ রাতে ওনাকে ছানা উল্লার শশুর ফোন করে বিষয়টি জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে তিনি তাদেরকে সহযোগিতা করবেন বলে সাংবাদিকদের জানান।

সামাজিক কোন সংগঠন যদি তাদের পাশে দাড়াতে চান তাহলে ০১৬৮৬-৬১০৩৬৪, ০১৮৩৯-৫৪৪৫৫১ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন। অযথা ফোন দিয়ে কেউ বিরক্ত করবেন না।