কিছু ওষুধ করোনার স্থায়িত্ব ও ভয়াবহতা কমিয়েছে, দাবি বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার

Spread the love

অনলাইন ডেস্ক: কিছু ওষুধ বা চিকিৎসা পদ্ধতি করোনাভাইরাসের স্থায়িত্ব ও ভয়াবহতা কমিয়েছে বলে দাবি করেছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। এরকম আরো চার পাঁচটি সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনাময় পদ্ধতি নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্র এতে প্রসারিত হয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা।

জেনেভাভিত্তিক এই সংস্থাটি কোভিড -১৯ প্রতিরোধ, রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার জন্য নিরাপদ এবং কার্যকর ভ্যাকসিন উদ্ভাবন, পরীক্ষা এবং ওষুধ তৈরির বিশ্বব্যাপী উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছে। শ্বাসযন্ত্রের কষ্টজনিত এ অসুখটি বিশ্বজুড়ে ৪০ লাখেরও বেশি মানুষকে সংক্রমিত করেছে।

সংস্থার মুখপাত্র মার্গারেট হ্যারিস বলেন, আমাদের কিছু চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে, যা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এগুলো দিয়ে আমরা অসুস্থতার তীব্রতা বা ভয়াবহতা কমাতে পারি। কিন্তু ভাইরাসটিকে নির্মূল করার মতো অস্ত্র এখনো আমাদের নেই। আমাদের কাছে অনেকগুলো ইতিবাচক তথ্য রয়েছে, যেগুলো আমরা কাজে লাগানোর চেষ্টা করতে পারি। সেগুলোকে একশ ভাগ কার্যকর করে তোলার চেষ্টা করছি আমরা।

তবে এর জন্য আরো বেশি গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান তিনি।গত মাসে রেমেডিসিভির এ ব্যাপারে ভালই আশা জাগিয়েছিল। এখনো মনে করা হয় এটি একটি কার্যকর ওষুধ হতে পারে। এর সঙ্গে অ্যান্টি-ভাইরাল সংমিশ্রণের দিকে নজর দেয়ার পরামর্শও দেয়া হয়। এতে ভাইরাসের বিরুদ্ধে আরো কার্যকর লড়াইয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মন্তব্য করা হয়।

চলতি মাসে প্রকাশিত হংকংয়ে একটি পরীক্ষার ফলে দেখা গেছে, অ্যান্টিভাইরাল ওষুধগুলোর সঙ্গে একটি ড্রাগের সংমিশ্রণে তৈরি পদার্থটি শরীরে ভাইরাসের পরিমাণ কমাতে দ্রুত সহায়তা করে থাকে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন নিয়ে চেঁচিয়ে গলায় রক্ত তুলেছিলেন, সে সম্পর্কেও কথা বলেছেন মার্গারেট হ্যারিস। ভারতের কছে থেকে ম্যালেরিয়ার ওষুধটি নিজেরাও পাওয়ার জন্য খেপে উঠলেও আদতে কোভিড-নিরাময়ে তেমন কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি। মৃত্যুরোধ তো দূরের কথা, কষ্ট-যন্ত্রণা লাঘবেও তেমন উপকারে আসেনি ওষুধটা।

ক্লিনিকাল পরীক্ষায় ১০০ টিরও বেশি সম্ভাব্য কোভিড-১৯ টি ভ্যাকসিন তৈরি করা হচ্ছে। এপ্রিল মাসে বিশ্বস্বাস্থ্য জানিয়েছে,  ভ্যাকসিন তৈরিতে কম পক্ষে ১২ মাস লাগবে।