তাহিরপুরে ইউএনও হস্তক্ষেপে গৃহবন্দি থেকে মুক্ত প্রবাসীর স্ত্রী ও সন্তান

Spread the love

জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় প্রতিবেশী অমানবিক আচরনের কারনে দীর্ঘ এক মাস ঘৃহবন্দি থাকার সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিজেন ব্যানার্জির হস্তক্ষেপে গৃহবন্দি থেকে মুক্ত হয়েছেন প্রবাশীর স্ত্রী মাফিয়া বেগম ও তার সন্তান ।

উপজেলা সদর ইউনিয়নের মধ্য তাহিরপুর গ্রামের মালয়েশিয়ার প্রবাসী মতিউর রহমানের স্ত্রী। 
শনিবার দুপুরে ইউএনও তাহিরপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে সভাপতি আমিনুল ইসলাম,সহসভাপতি বাবরুল হাসান বাবলু,স্থানীয় মেম্বার মতিউর রহমান মতিসহ স্থানীয় এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে চলাচলের সড়কের বাঁশের ভেড়া তুলে দেন এবং প্রতিবেশী জিয়াউর রহমানকে সর্তক করেন। 

জানাযায়,উপজেলা সদরের মধ্য তাহিরপুর গ্রামে একটি দু’চালা টিনের ছাপটা ঘরে বাস করেন গৃহবধু মাফিয়া বেগম। স্বামী মতিউর রহমান দীর্ঘ ৩ বছর ধরে মালেশিয়ায় বসবাস করেন। প্রতিবেশী জিয়াউর রহমান মাফিয়া বেগমের চলাচলের রাস্তায় বাঁশ দিয়ে বেড়া দেয়ায় একমাস ধরে গৃহবন্দি অবস্থায় রয়েছে। জরুরী প্রয়োজনে বাসার হাট বাজার তিনি লোক মারফত কেনাকাটা করে বাঁশের বেড়ার উপর দিয়েই তিনি আনা নেয়া করছেন।

তার স্বামী ৩ বছর ধরে মালেশিয়ায় বসবাস করেন। ১২ বছর পূর্বে এ জায়গা তার স্বামী ক্রয় করেছেন। কেনার পর থেকে এতদিন চলাফেরা করতে কোন ধরনের অসুবিধা হয়নি। একমাস পূর্বে প্রতিবেশী জিয়াউর রহমান তার চলাচলের রাস্তায় বাঁশের বেড়া দেয়ায় তিনি ৭বছরের একটি পুত্র সন্তান নিয়ে গৃহবন্দি হয়ে পড়ে। বাসার হাটবাজার তিনি মোবাইলে লোক মারফত এনে বাঁশের বেড়ার উপর দিয়েই আনা নেওয়া করেন। শিশুপুত্রটিও কোন খেলাধুলা করতে পারছিল না।

জিয়াউর রহমানের অভিযোগ ছিল ঐ গৃহবধূ নানান ভাবে ঝগড়া করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আসছিল। তাই তিনি চলাচলের সড়কের বাঁশের ভেরা দিয়ে দেন।         

প্রবাসীর স্ত্রী মাফিয়া বেগম জানান,দীর্ঘ দিন ঘৃহবন্দী থাকার পর আজ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে মুক্ত হলাম।    

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিজেন ব্যানার্জি জানান,প্রতিবেশী চলাচলের সড়কের বাঁশের ভেরা দিয়ে বাধা সৃষ্টি করায়  প্রবাসীর স্ত্রী এক সন্তান নিয়ে ঘৃহবন্দী আছেন শুনে সেই বাঁশের ভেরা তুলে দিয়েছি।