মাটিরাঙ্গায় করোনা মোকাবেলায় কর্মকর্তাদের পাশে পাচ্ছেন না ইউএনও

Spread the love

আবুল হাসেম,মাটিরাঙ্গা প্রতিনিধিঃ মরণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে মাটিরাঙ্গার ৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেয়া হয়। বর্তমানে দেশের বিরাজমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যে কর্মস্থলে সার্বক্ষণিক থাকার সরকারী নিদের্শনা রয়েছে।

কিন্তু সোমবার (৬ এপ্রিল) পর্যন্ত মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,সহকারী কমিশনার (ভূমি),ফারজানা আক্তার (ববি) প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজ কুমার শীল,প্রকোশলী মো.মনির হোসেন,যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ আশরাফ উদ্দিন ও তাইন্দং ইউনিয়নের ট্যাগ অফিসার,রিসোর্স ইন্সট্রাক্টর ও বর্নাল ইউনিয়নের ট্যাগ অফিসার,আসগর হোসেন,খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা রুপঙ্কর চাকমা,কর্মস্থলে উপস্থিত রয়েছেন।

তাছাড়া সরকারি নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে মাটিরাঙ্গা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো.হুমায়ুন কবির পাটোয়ারি,সমবায় কর্মকর্তা মো.আমান উল্ল্যাহ চৌধুরি,পরিসংখ্যান কর্মকর্তা এসএম রুবাইয়াত তানিম,শিক্ষা অফিসার মো.মনিরুজ্জামান,ভারপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা মাসুম ভুঁইয়া,মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো.ওবায়েদুল হক,মৎস কর্মকর্তা আরিফুর রহমান কর্মস্থলে উপস্থিত না থেকে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন।

এসব কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতির কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে করোনা সংক্রমনের নানা চ্যালেন্জ মোকাবিলা করা। তাছাড়া নিম্নবিত্ত ও কর্মহীনদের ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম খুব কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। উপজেলা নির্বাহি অফিসার এসব কাজ নিজেই করছেন।

কর্মস্থলে অনুপস্থিতির বিষয়ে পল্লি উন্নয়ন কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত রয়েছি,তাছাড়া আমি ইউএনও স্যারের কাছ থেকে কয়েকদিন ছুটি নিয়ে বাড়িতে এসেছি দু’এক দিনের মধ্যে চলে আসবেন বলে জানান তিনি।

ছুটির বিষয়টি জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহি অফিসার বলেন,আমি বর্তমান পরিস্থিতিতে কাউকে ছুটি দেইনাই, কেউ যদি আমার কাছ থেকে ছুটি নিয়েছে বলে দাবি করে তাহলে এটা নিছক মিথ্যাচার বৈ আর কিছু নয়।

এ বিষয়ে মাটিরাঙ্গার ইউএনও বলেন,কর্মকর্তাদের সরকারের নিদের্শনানুযায়ী সার্বক্ষণিক কর্মস্থলে থাকার কথা থাকলেও কিন্তু তারা কর্মস্থলে নেই ।বেশিরভাগ কর্মকর্তা না থাকায় ত্রাণ পরিচালনা ও সচেতনতা কার্যক্রমে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তাদের সহযোগিতা ও পরামর্শ পেলে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিতে সহজ হতো।