হাসপাতালে বেড আছে, রোগী নেই

Spread the love

সেলিম রেজা শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার নন্দীগ্রামে এখনও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বলে কেউ শনাক্ত হয়নি, আবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আউটডোরে ও জরুরি বিভাগেও ভিড় নেই। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মহিলা ও পুরুষ ওয়ার্ড ঘুরে মাত্র সাতজন রোগী পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কমে গেছে রোগীর সংখ্যা। এখন সেখানে হাসপাতালের বেশিরভাগ বেড খালি পড়ে আছে। আগে যেখানে রোগী সামাল দিতে হিমসিম খেতে হতো, ওয়ার্ডে ছিলো রোগীর সঙ্গে আসা স্বজনদের কোলাহল। সে চিত্র বদলে গেছে করোনার প্রভাবে। তবে যারা চিকিৎসা নিতে আসছেন, সবাইকে রোগের ধরন বুঝে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

অন্যান্য সময় যেখানে প্রতিদিন আউটডোরে চিকিৎসার জন্য টিকেট নিতেন ২৫০ জন। এখন আছেন ৩৫ জন। এছাড়া উপজেলার একটি অংশ, যাদের সঙ্গে হাসপাতালের ডাক্তারদের ভাল সম্পর্ক রয়েছে, তারা বাড়িতে থেকেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে চিকিৎসা নিচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউই এখন হাসপাতালে আসতে চান না।

রোগী না থাকলেও ডাক্তার-নার্সদের ঠিকই প্রতিদিনের মতো ডিউটি করছেন। এদিকে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ১৩ টি প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে ১১৭ শয্যা বিশিষ্ট বেড প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়াও করোনা বিষয়ে যেকোন তথ্য ও সেবার জন্য উপজেলা খোলা হয়েছে কন্টোল রুম ।

জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ইকবাল মাহমুদ বলেন, আগের তুলনায় হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা কমেছে। করোনা ভাইরাসের আতঙ্কের কারণে মানুষ হাসপাতালে আসা কমিয়েছেন। এছাড়া যারা আসছেন তাদেরকে প্রয়োজনানুয়ায়ী চিকিৎসা ও ওষুধ দেওয়া হচ্ছে।