মোংলা বন্দর করনা ভাইরাসের কঠোর নিরাপত্তায় আক্রান্ত কাউকে পাওয়া যায়নি

Spread the love

মোঃ আনিসুর রহমান, মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বাগেরহাট জেলার মোংলা বন্দর চেকপোষ্টে সুরক্ষা যন্ত্র পোর্টেবল লেজার ডিটেক্টর ও ইনফ্রারেড থার্মোমিটার এর মাধ্যমে বন্দরে যাতায়াতরত সকলের জ্বর পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করেছে পোর্ট হেলথ অফিস এর মেডিকেল টিম।

এদিকে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপ সচিব মো: মাকরুজ্জামান জানান,এ যন্ত্র দিয়ে জেটিতে প্রবেশকারী বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শ্রমিক ও বিদেশী নাবিকদের শরীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ভিতরে ঢুকানো হচ্ছে। মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ও পোর্ট হেলথ অফিসে কর্তব্যরত ডাঃ মোঃ কবিরুল ইসলাম সরোয়ার বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে গত পহেলা ফেব্রুয়ারী পোর্ট হেলথ অফিসের প্রধান ডাঃ সুফিয়া খাতুনকে প্রধান করে আমি সহ মোট ৫ জন মেডিকেল অফিসার (৩ জন মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ও ২ জন পোর্ট হেলথ অফিসের), ৫ জন স্বাস্থ্য সহকারী (স্যাকমো), ১ জন স্যানিটারি ইন্সপেকটর নিয়ে একটি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য সহকারীরা নিয়মিত বন্দর গেটে দ্বায়িত্ব পালন করেন এবং বন্দর গেট দিয়ে ভিতরে ঢোকা ও বের হওয়া সকলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। আমরা ৩ জন মেডিকেল অফিসার (আমি, ডাঃ এম এম ফয়সাল ইসলাম স্বর্ণ ও ডাঃ মোঃ সামির আসিফ) বন্দরে ও হারবারিয়াতে আসার সকল জাহাজের ক্রুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা কর্ েথাকি। যে জাহাজ গুলি সরাসরি বন্দর জেটিতে অথবা ওমেরা,যমুনা,বসুন্ধরার জেটিতে আসে তাদেরকে আমাদের এম্বুলেন্স করেই গিয়ে সেখানকার ক্রুদের পরীক্ষা করি। আর যে জাহাজগুলা হারবারিয়া থাকে সেগুলাতে যাবার জন্য আমরা মোংলা বন্দরের পাইলট বোট অথবা স্পীড বোট ব্যবহার করি। বন্দর কর্তৃপক্ষ আমাদের জন্য এই বোটের ব্যবস্থা করে থাকেন।

আমরা প্রতিটা জাহাজে উঠে ক্রুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার পর সবাইকে সুস্থ্য পেলে “করোনা ভাইরাস মুক্ত” নামে একটা সনদ প্রদান করি। তারপরই জাহাজ হলুদ পতাকা নামানোর অনুমতি পায়।তারপর কাস্টম ইমিগ্রেষন ও শ্রমিক উঠার অনুমতি পায়। এর আগে কোন শ্রমিক জাহাজে উঠার অনুমতি পায়না।” উল্লেখ্য যে আমরা গত ০১/০২/২০২০ইং তারিখ থেকে ১৭/০২/২০২০ইং তারিখ পর্যন্ত ৩৪টি জাহজ চেক করে এখোনো পর্যন্ত”করোনা ভাইরাস” নামক কোনো রুগি পাওয়া যায়নি।সম্প্রতি এ ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে পৃথিবীর বেশ কিছু দেশে।বন্দরে বসবাসরত সকল নাগরিকদের সতর্ক থাকতে পৌর মাইকের মাধ্যমে বারবার ঘোষণা করা হচ্ছে।