ইবিতে ডিজিটাল লাইব্রেরি অ্যাকসেস সেন্টারের উদ্বোধন

Spread the love

আজাহার ইসলাম, ইবি প্রতিনিধি: লাইব্রেরিতে গিয়ে শেলফে শেলফে বই খোঁজা নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিও তার ব্যাতিক্রম নয়। শেলফে শেলফে খুঁজে বের করতে হয় বিভিন্ন লেখকের বই। এই ধরাবাঁধা নিয়মের বাইরে গিয়ে শিক্ষার্থীদের বই খোঁজার ভোগান্তি কমাতে ইবির কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে ডিজিটাল লাইব্রেরি অ্যাকসেস সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে প্রধান অতিথি হিসেবে এর শুভ উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী। 
এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ।

এছাড়াও প্রক্টর অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মণ, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি অটোমেশন কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান, আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. আহসানুল হক আম্বিয়াসহ বিভিন্ন অনুষদীয় ডীন ও খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি  বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) লাইব্রেরি ও আইটি ম্যানেজমেন্টের ৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনকালে উপাচার্য বলেন, ‘একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের হিসেবে গড়ে তুলতে সেখানে জ্ঞান বিতরণের পাশাপাশি নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করা প্রয়োজন যেটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একমাত্র ভিশন। এর আলোকেই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাথমিক ভাবে ৫০ হাজার বই অটোমেশনের আওতায় এনেছি। এই প্রান্তিক জনপদের বিশ্ববিদ্যালয়টি নতুন নতুন উদ্ভাবন ও জ্ঞানের সৃষ্টি করবে, আর এই অভিযাত্রা চলমান থাকবে।’

জানা গেছে, ইবির কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে থাকা মোট ১ লাখ ৮ হাজার বইয়ের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৫০ হাজার বই এই অটোমেশন প্রক্রিয়ার আওতায়ভুক্ত করা হয়েছে। অনলাইনে সার্চ দিয়ে শিক্ষার্থীরা যেকোন বইয়ের তথ্য পেতে পারবে। প্রতিটি বইয়ের জন্য থাকা নির্দিষ্ট বার কোড দিয়ে সার্চ করলে বইটি সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য পাওয়া যাবে। বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত থেকে জানা যাবে বইটি গ্রন্থাগারের কত তলায় কোন শেলফে আছে। এছাড়াও জানা যাবে গ্রন্থাগারের বইয়ের সম্পর্কে বিস্তাারিত তথ্য।