ঢাকার মানুষের অন্যতম আকর্ষন হয়ে উঠেছে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়

Spread the love

এ,বি,এম, নিবিড়, ব্যুরোচীফ, ঢাকা দক্ষিন: গোটা পুরান ঢাকার পাড় ঘেষেই বিস্তৃর্ন বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়, বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ এই নদীটি দূষনের শেষ পর্যায় রয়েছে, বর্জ্য অপসারণ ও ড্রেজিং এর অভাবে পলি ও ময়লায় ভড়ে উঠেছে নদী, দুই পাড় ঘেষে যত্রতত্র পড়ে আছে ময়লার স্তুুপ, যার করনে সৃষ্ট প্রবল দূর্গন্ধে অতিষ্ঠ আশেপাশের এলাকাবাসী। দূষিত পানিতে নদীটির সকল জীব বৈচিত্র্য হারিয়ে গেছে।নদীটির তীরে বিগত ১ যুগ আগে নির্মিত হয়েছিল বেড়িবাঁধ ও রাস্তা।

বর্তমানে যাতে যানবাহন চলাচল পুরোদমে শুরু না হলেও ভ্রমন পিপাসুদের কাছে হয়ে উঠেছে এক অনন্য প্রশান্তিময় স্থান, যা যান্ত্রিক ঢাকা শহরে কর্ম ব্যাস্ত জীবনে কিছু সময়ের জন্য নদীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এনে দেয় সস্থি ও আনন্দ, সকল বয়সের মানুষের কাছেই জায়গাটি খুব প্রিয়।

বিশেষ করে নদীর উপর ঐতিহাসিক মিলব্যারাক জেটি ও পুলিশ লাইনস মসজিদ সংলগ্ন ফরাশগঞ্জ সুইসগেট ব্রীজ, প্রতিদিন বিকেল থেকে প্রায় রাত ১০ টা পর্যন্ত লোকে লোকারণ্য হয়ে থাকে জায়গাটি, রাস্তাটি ও ব্রীজটির পাশ রয়েছে অনেকগুলো ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকান, শিশুদের খেলনার দোকান ও বিভিন্ন পন্য সামগ্রীর হকারদের আনাগোনা।

নদীর পারে বসে বিভন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ অপলক দৃষ্টি তে উপভোগ করে নদীর সৌন্দর্য, বিকেল হলেই সবাই দেখতে চলে আসে সূর্যাস্ত। নদীর ঘাটে রয়েছে অসংখ্য কোষা নৌকা, যাতে করে যাত্রী পারাপার হতে পারে অনায়েষে, আর কেউ ঘন্টা হিসেবে নৌকা ভাড়া করে নদীর বুকে ঘুড়ে ঘুড়ে উপোভোগ করে নদীর অপার সৌন্দর্য।

সন্ধা পেরিয়ে রাত হলেই নদীর পাড়ে ছুটে আসে কর্ম ফেরত মানুষ গুলো কিছুটা প্রশান্তির খোজে। পাশাপাশি বেড়ে যায় মটর বাইক আরোহী বখাটে ছেলেদের আনাগোনা,অনেকে সাথে নিয়ে আসে  তাদের মেয়ে বন্ধুদের, যাদের অধকাংশরই থাকে অশালীন বেশভূষা।

যে কোন ধরনের অপরাধ অপকর্ম ঠেকাতে তৎপর থাকে পুলিশ প্রাশাসন, সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা ও সুনজর থাকলে হাতিরঝিলে ন্যায় নয়নাভিরাম পরিবেশ গড়ে উক্ত স্থানটি ঢাকাবাসীর অন্যতম প্রশান্তিময় ভ্রমন স্থল হয়ে উঠতে পারে।।