কাঁদতে কাঁদতে হাসপাতাল ছাড়লেন সৌমিত্রের মেয়ে

Spread the love

অনলাইন ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের প্রখ্যাত অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক। গত ৩০ ঘণ্টার মধ্যে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। পুরোপুরি লাইফ সাপোর্টেও তিনি ঠিকমতো সাড়া দিচ্ছেন না। এমন অবস্থায় শনিবার রাতে তার পরিবারের সদস্যদের হাসাপাতালে ডেকে পাঠান চিকিৎসকরা। পরে অন্যদের সঙ্গে বাবাকে দেখতে যান মেয়ে পৌলমী বোসও। কিন্তু বাবাকে দেখার পর কাঁদতে কাঁদতেই হাসপাতাল ছেড়েছেন তিনি।

জিনিউজ জানিয়েছে, হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার সময় ‘বাবা ভালো নেই’ বলেই গণমাধ্যম কর্মীদের সামনেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পৌলমী বোস। 

এর আগে শনিবার রাতে কলকাতার বেলভিউ নার্সিং হোমের চিকিৎসক অরিন্দম কর জানান, সৌমিত্রের সুস্থতার জন্য গত ৪০ দিন ধরে সব ধরনের চেষ্টা চালিয়েছেন চিকিৎসকরা। তবে এত চেষ্টার পরও তার অবস্থা আরও সঙ্কটজনক হয়েছে।

তিনি বলেন, সৌমিত্রকে নিয়ে এখন অলৌকিকেই ভরসা করতে হবে আমাদের। 

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের তিন দিন আগে শ্বাসনালিতে অস্ত্রোপচার হয়। অস্ত্রোপচার সফলও হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, তার শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ঠিকঠাক কাজ করছে। তবে তিনি খুব দুর্বল। শ্বাসনালিতে অস্ত্রোপচারের পর সৌমিত্রকে প্লাজমা থেরাপিও দেওয়া হয়েছিল।

৪০ দিন ধরে কলকাতার বেলভিউ নার্সিং হোমে চিকিৎসাধীন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। গত ২৪ অক্টোবর রাত থেকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। এরপর ধীরে ধীরে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন।

গত ৬ অক্টোবর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বেলভিউ হাসপাতালে ভর্তি হন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। এরপর ১৪ অক্টোবর অভিনেতার কোভিড-১৯ রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। কিন্তু কোভিড এনসেফেলোপ্যাথির কারণে তার স্নায়ুতে প্রভাব পড়ে। এরপর থেকেই প্রায় অচেতন তিনি। মাঝে কয়েকদিন চোখ মেলে সাড়া দিচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ আবার তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে।