তাপমাত্রা বাড়ার পূর্বাভাস

Spread the love

অনলাইন ডেস্ক: রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশ শীতে কাঁপছে। তিন দিন ধরে সূর্যের দেখা নেই। দেশের উত্তর, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শীতের কনকনে হাওয়া জনজীবন স্থবির করে ফেলেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। রোববারের পর থেকে একটু একটু করে বাড়তে পারে তাপমাত্রা।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, রাজধানীতে শীতের অনুভূতি এখন উত্তরাঞ্চলের মতোই। সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পার্থক্য অনেক কমে গেছে। ঢাকায় পার্থক্য ছিল মাত্র ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই অবস্থা রোববারও অব্যাহত থাকার আভাস রয়েছে। সোমবার থেকে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধির আভাস দেন আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ। তিনি বলেন, চলতি সপ্তাহের শেষে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে হালকা বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। মাসের শেষে তাপমাত্রা বাড়লেও বছর শুরু হবে মৌসুমের দ্বিতীয় শৈত্যপ্রবাহে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকায় সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পার্থক্য একেবারেই কমে গেছে। ফলে শীতের অনুভূতি উত্তরাঞ্চলের মতোই। এ ধরনের ঘটনা অস্বাভাবিক না। তবে সাধারণত জানুয়ারিতে এমন পরিস্থিতি হয়ে থাকে। এবার একটু আগেভাগেই শীতের কাঁপন শুরু হলো।

এদিকে, শীতের সঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকায় বায়ুদূষণ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। শীতের কারণে রাজধানীসহ সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ৯ দিনে ডায়রিয়াসহ শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ৪৬ হাজার ৭২০ জন। এ ছাড়া শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে বেড়ে গেছে শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ, চোখের প্রদাহ, আমাশয়, চর্মরোগ।

শনিবার থেকে দেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ফরিদপুরে ১০ দশমিক এক ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর শুক্রবার চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল আট দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার আগের দিন বৃহস্পতিবার একই এলাকা চুয়াডাঙ্গায় ছিল সাত দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শনিবার ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক দুই, যা বৃহস্পতিবার ছিল ১৩, একইভাবে চট্টগ্রামে ১৩ দশমিক তিন, বৃহস্পতিবার ছিল ১৬, সিলেটে ১৩ দশমিক পাঁচ, বৃহস্পতিবার যা ছিল ১৫ দশমিক আট, শনিবার বরিশালে ১০ দশমিক চার, বৃহস্পতিবার যা ছিল ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।