কুয়াশায় সিলেটে দুপুরেও ভোরের চিত্র

Spread the love

সিলেট: গাঢ় কুয়াশায় মোড়ানো আকাশ। আলতো হাওয়ায় শীতল প্রকৃতি। কাঠফাটা রোদের দুপুরেও নেই সূর্যের দেখা। কুয়াশায় সিলেটে এ যেনো দুপুরেও ভোরের চিত্র।

আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, এবার শীতে সিলেটে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে শনিবার (২১ ডিসেম্বর)। এদিন সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সে সঙ্গে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৪।

তবে দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা ১৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি ও বাতাসের আর্দ্রতা ৮৬ থাকলেও কুয়াশা কাটেনি। কুয়াশার কারণে দেখা নেই এক ফোঁটা রোদের।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সিলেটের আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, সিলেটে শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) দিনগত রাত থেকে তাপমাত্রা কমতে শুরু করে। ভোররাত ৩টার দিকে তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর ভোর ৬টায় ছিল ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি ও সকাল ৯টায় ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

এ বছর শীতে এটিই সিলেটের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে জানান তিনি। 

এর আগে বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

সাঈদ আহমদ বলেন, সিলেটে কুয়াশার আদলে যেটা দেখা যাচ্ছে, আবহাওয়াবিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘হেইজ’ বলে। এ অবস্থায় পাঁচ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত দেখা যেতে পারে। এর পরের ধাপ ‘মিসট’ হলে তিন কিলোমিটার দূরত্বে দেখা যায়। আর ‘ফগ’ বা ঘন কুয়াশা হলে এক-দুই কিলোমিটার দূরে দেখাও কঠিন হয়ে পড়ে। 

তিনি জানান, সিলেটে হেইজ ভাব কেটে গেলে তাপমাত্রা বাড়বে।

এদিকে, এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সিলেটের আকাশে হেইজ ভাব কাটেনি। কুয়াশার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শীত থেকে বাঁচতে মানুষকে গরম কাপড় পরেই জীবিকার জন্য বা অন্য জরুরি কাজে বেরিয়ে যেতে দেখা গেছে।  

অবশ্য এর আগে আবহাওয়া অধিদপ্তর ঘোষণা দেয়, শুক্রবার দিনগত রাতের পর সিলেটের তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রীতে নেমে আসবে। এছাড়া এ মাসের ২৫-২৬ তারিখের দিকে এক মিলিমিটার বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে বলে জানানো হয়।