ভারতকে তিনশ’র পরেই থামাল টাইগাররা

অনলাইন ডেস্ক: ম্যাচের শুরুতে তামিমের হাত গলে স্কোয়ারে লেগে রোহিত শর্মার ক্যাচটা পড়ে গেল। উল্লাসে লাফিয়ে ওঠার অপেক্ষায় থাকা টাইগার ভক্তরা স্তম্ভিত। মাত্র নয় রানে জীবন পাওয়া সেই রোহিত ১০৪ রানে থামেন। কেএল রাহুলের সঙ্গে গড়েছেন এবারের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ ১৮০ রানের ওপেনিং জুটি।

দুর্দান্ত ভিত্তি পেয়ে যাওয়া ভারত এজবাস্টনে ছুটছিল দুর্বার গতিতে। মধ্যে সেই রান চাকা টেনে ধরে বাংলাদেশ। বিরাট কোহলিরা ৯ উইকেট হারিয়ে তুলতে পারে ৩১৪ রান। এই রান টপকে জেতা সম্ভব টাইগারদের এখন ব্যাট হাতে তা প্রমাণ করতে হবে।

এজবাস্টনে স্কয়ারের বাউন্ডারি ছোট। টসটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেই টসটাও বিপক্ষে যায় বাংলাদেশের। দুই ওপেনার রোহিত শর্মা এবং কেএল রাহুল তোলেন ১৮০ রান। ওপেনিং জুটিতে এবারের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান তোলেন তারা। রোহিত তুলে নেন ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের চতুর্থ সেঞ্চুরি। এছাড়া ভারতের হয়ে রেকর্ড ২৩০ ছক্কা মারেন রোহিত। চলতি বিশ্বকাপে ডেভিড ওয়ার্নারের পরে সর্বোচ্চ ৫৪৪ রান করেন রোহিত।

রোহিতের পরে রাহুল আউট হন ৭৭ রান করে। এরপরই ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। ম্যাচের ৩৯তম ওভারে মেডনসহ দুই উইকেট নেন মুস্তাফিজ। বিরাট কোহলিকে প্রথমে ফেরান ২৬ রানে। এরপর হার্ডিক পান্ডিয়া ব্যাটে এসে ডাক মেরে ফেরেন। ভারতের রান তখন ২৩৭।

সেখান থেকে ঋষভ পান্ত এবং এমএস ধোনি আবার জুটি গড়েন। তারা তোলেন ৪০ রান। ঋষভ পান্ত আউট হন সাকিবের বলে ৪১ বলে ৪৮ রান করে। ভারতীয় দলে এ ম্যাচে কেদার যাদবের বদলে জায়গা পাওয়া দিনেশ কার্তিক মাত্র ৮ রান করে মুস্তাফিজের বলে ফিরে যান। ধোনি শেষ ওভারে আউট হন মুস্তাফিজের বলে। তিনি খেলেন ৩৩ বলে ৩৫ রানের ইনিংস।

বাংলাদেশের বিপক্ষে এ ম্যাচে দারুণ বোলিং করেন মুস্তাফিজ। শুরুতে রোহিতের ক্যাচটা মিস হয়। এরপরও পাঁচ উইকেট তুলে নিয়েছেন ফিজ। শেষ দিকে ফিজের কাটার-স্লোয়ার এবং স্টোক বলগুলোর জবাব ছিল না ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের। ভারতের বিপক্ষে ফিজ তার ওয়ানডে অভিষেকে পাঁচ উইকেট নেন। বিশ্বকাপের আসরে আবার পাঁচ উইকেট তুলে নিলেন তিনি।

এছাড়া ওয়ানডে ক্যারিয়ারের পঞ্চম পাঁচ উইকেট পেলেন তিনি। বাংলাদেশের হয়ে সৌম্য সরকার, রুবেল হোসেন এবং সাকিব আল হাসান একটি করে উইকেট নেন। 

শুরুতে তামিমের হাত গলে স্কোয়ারে লেগে রোহিত শর্মার ক্যাচটা পড়ে গেল। উল্লাসে লাফিয়ে ওঠার অপেক্ষায় থাকা টাইগার ভক্তরা স্তম্ভিত। মাত্র নয় রানে জীবন পাওয়া সেই রোহিত ১০৪ রানে থামেন। কেএল রাহুলের সঙ্গে গড়েছেন এবারের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ ১৮০ রানের ওপেনিং জুটি।

দুর্দান্ত ভিত্তি পেয়ে যাওয়া ভারত এজবাস্টনে ছুটছিল দুর্বার গতিতে। মধ্যে সেই রান চাকা টেনে ধরে বাংলাদেশ। বিরাট কোহলিরা ৯ উইকেট হারিয়ে তুলতে পারে ৩১৪ রান। এই রান টপকে জেতা সম্ভব টাইগারদের এখন ব্যাট হাতে তা প্রমাণ করতে হবে।

এজবাস্টনে স্কয়ারের বাউন্ডারি ছোট। টসটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেই টসটাও বিপক্ষে যায় বাংলাদেশের। দুই ওপেনার রোহিত শর্মা এবং কেএল রাহুল তোলেন ১৮০ রান। ওপেনিং জুটিতে এবারের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান তোলেন তারা। রোহিত তুলে নেন ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের চতুর্থ সেঞ্চুরি। এছাড়া ভারতের হয়ে রেকর্ড ২৩০ ছক্কা মারেন রোহিত। চলতি বিশ্বকাপে ডেভিড ওয়ার্নারের পরে সর্বোচ্চ ৫৪৪ রান করেন রোহিত।

রোহিতের পরে রাহুল আউট হন ৭৭ রান করে। এরপরই ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। ম্যাচের ৩৯তম ওভারে মেডনসহ দুই উইকেট নেন মুস্তাফিজ। বিরাট কোহলিকে প্রথমে ফেরান ২৬ রানে। এরপর হার্ডিক পান্ডিয়া ব্যাটে এসে ডাক মেরে ফেরেন। ভারতের রান তখন ২৩৭।

সেখান থেকে ঋষভ পান্ত এবং এমএস ধোনি আবার জুটি গড়েন। তারা তোলেন ৪০ রান। ঋষভ পান্ত আউট হন সাকিবের বলে ৪১ বলে ৪৮ রান করে। ভারতীয় দলে এ ম্যাচে কেদার যাদবের বদলে জায়গা পাওয়া দিনেশ কার্তিক মাত্র ৮ রান করে মুস্তাফিজের বলে ফিরে যান। ধোনি শেষ ওভারে আউট হন মুস্তাফিজের বলে। তিনি খেলেন ৩৩ বলে ৩৫ রানের ইনিংস।

বাংলাদেশের বিপক্ষে এ ম্যাচে দারুণ বোলিং করেন মুস্তাফিজ। শুরুতে রোহিতের ক্যাচটা মিস হয়। এরপরও পাঁচ উইকেট তুলে নিয়েছেন ফিজ। শেষ দিকে ফিজের কাটার-স্লোয়ার এবং স্টোক বলগুলোর জবাব ছিল না ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের। ভারতের বিপক্ষে ফিজ তার ওয়ানডে অভিষেকে পাঁচ উইকেট নেন। বিশ্বকাপের আসরে আবার পাঁচ উইকেট তুলে নিলেন তিনি।

এছাড়া ওয়ানডে ক্যারিয়ারের পঞ্চম পাঁচ উইকেট পেলেন তিনি। বাংলাদেশের হয়ে সৌম্য সরকার, রুবেল হোসেন এবং সাকিব আল হাসান একটি করে উইকেট নেন। 

মতামত