‘খারাপ খেললে পাঁচে নামিয়ে দেওয়া হতো’

ছবি: রয়টার্স

অনলাইন ডেস্ক: ইংল্যান্ডের বিপক্ষে স্ট্রাইক বোলারের দায়িত্ব পালন করেন সাকিব। শুরুর দুই ওভার দারুণ বোলিং করেন তিনি। ইংল্যান্ডের উইকেট তুলে নিতে না পারায় পরে খরুচে হয়ে যান। তবে ব্যাট হাতে দারুণ এক সেঞ্চুরি তুলে নেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

ব্যাটিং পজিশনে প্রমোশন হয়েছে সাকিবের। পাঁচ থেকে তিনে ব্যাট করছেন তিনি। বিশ্বকাপে তিনে ব্যাট করতে নেমে দলের হয়ে দারুণ ভূমিকা রাখছেন সাকিব। প্রথম দুই ম্যাচে ভালো দুই ফিফটি করেন তিনি। তৃতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তুলে নেন সেঞ্চুরি। তিন ম্যাচে ২৬০ রান করে এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক বাংলাদেশ অলরাউন্ডার।

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব তার ব্যাটিং পজিশন নিয়ে বলেন, ‘আমার তিনে ভালো খেলার দরকার ছিল। কারণ ওই জায়গায় আমার দলের আস্থা অর্জন করতে হতো। না হলে আমাকে হয়তো আবার পাঁচে নামিয়ে দেওয়া হতো। ব্যাটিংয়ে তিন নম্বর পজিশনটা একটু আলাদা। আপনাকে এখানে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে।’

ব্যাটে ভালো হলেও বিশ্বকাপে সাকিব তার বোলিং নিয়ে খুশি নন। যদিও দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বল হাতেও তিনি ভালোই করেছেন। সাকিব বলেন, ‘এখন আমি ব্যাটিংটা উপভোগ করছি। কিন্তু এটাও বলতে চাই যে, এটা কেবল শুরু। আমাকে ব্যাটে-বলে দলের হয়ে যত সম্ভব অবদান রাখতে হবে।’

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দলের বোলিং নিয়ে সাকিব বলেন, ‘যেভাবে আমরা বোলিং করেছি তা নিয়ে খুবই হতাশ। আমার মতে, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আমরা অনেক বেশি ভালো বোলিং করেছি। তবে এ ম্যাচে ইংল্যান্ড অনেক বেশি ভালো ব্যাটিং করেছে। তাদের কৃতিত্ব দিতে হবে। তাদের দুই ওপেনার দারুণ শুরু করেছেন। বাটলার শেষ টেনেছেন।’

ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানদের আবার বড় পরিক্ষা নিয়েছেন ইংল্যান্ড পেসার জোফরা আর্চার এবং মার্ক উড। তবে সাকিব তাদের সামলেই দারুণ সেঞ্চুরি করেছেন। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের সেরা গতির দুই বোলার তারা। তাদের সামলাতে পেরে তাই সাকিব খুশি। তবে তাদের খেলা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল বলেও উল্লেখ করেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

মতামত