ছোঁয়া আত্মহত্যা করেছে নাকি হত্যা হয়েছে প্রশ্ন জনমনে ?

ইসমাইল হোসেন,সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি : প্রেম ভালবাসা সৃষ্টি করে, ধ্বংশ করে না। তাই যারা ভালবাসাকে ধ্বংশ করতে চায় তারা সৃষ্টিকর্তার অপ্রিয়। যুগেযুগে যত প্রেমের সমাধি হয়েছে তার একমাত্র বিদ্রোহী অভিঘাতী পক্ষ হলো জাত, বংশ, ধর্ম, বর্ণ, অর্থ ও পেশীশক্তির আত্ম মর্যাদা দাম্ভিকতার অজুহাত। ধর্ম মনুষ্য জাতিকে বিভক্তি করেছে তার নিজস্ব রূপে, সৃষ্টি করেছে সামাজিকতার নামে কিছু বিষাক্ত আইন,যার ছোবলে নীলে নীলাক্ত হচ্ছে মানবতার শরীর, আর অকালেই ঝরে যাচ্ছে ফুল না হতে অঙ্কুর। জামালপুরের উপজেলা সরিষাবাড়ীতে গত ২৩ এপ্রিল রাতে এমনি একটি অঙ্কুর ঝরে গেছে পরিবারের অমানবিক শাসনরূপী নির্যাতন ও অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে বলে জানা যায়।

পোগলদীঘা ইউনিয়নের সাইঞ্চার পাড় গ্রামের সাহা পরিবারে মেয়ে ছোঁয়া সাহা অন্তরার আত্মহত্যা করেছে বখাটে তানিনের উত্যক্ত ও প্ররোচনায় বলে সাহা পরিবারের অভিযোগ কিন্তু এলাকা বাসীর সরল দৃষ্টিতে ছোঁয়া সাহা অন্তরা আত্মহত্যা করেনি তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় ছোঁয়া সাহা অন্তরা নানান ভাবে অমানবিক নির্যাতিত হয়ে ছিল সাহা পরিবারের কাছে এবং যেদিন মারা গিয়েছে সেদিন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এই নির্যাতিত মেয়েটিকে রাস্তায় কোন যানবাহন না পেয়ে অজ্ঞাত এক মোটরসাইকেলে তুলে দেন তার পরিবারবর্গ এবং তাদেরকে বলা হয় বাজারে তার বাবা আছে ওখানে একটু পৌচ্ছে দিন।

তাই মটরসাইকেলওলা আরামনগর বাজারের মুস্তাকের মার্কেটের সম্মুখে এসে দাড়ায় এবং পিছন থেকে একজন ছোঁয়ার বাবাকে খোঁজার উদ্দেশ্যে নামতেই মাঝখান থেকে ছোঁয়া মাটিতে পড়ে যায় অত:পর তার কোন সাড়াশব্দ না থাকায় আশেপাশের লোকজন ছুটে আসে এবং আরোহী দুজনকে ঘিরে ফেলে নানান প্রশ্নে জনগণ। তাই সরিষাবাড়ী রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিনিধিরা তথ্যানুসন্ধানের প্রেক্ষিতে সেদিনের প্রত্যক্ষ দৃশ্যমান ব্যবসায়ীদের জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন ছোঁয়া সাহা অন্তরার মৃত্যু বাড়ীতেই হয়েছে বলে মনে হয়, কারণ সে তখন অজ্ঞান ছিল। অত:পর ছোঁয়াকে হাসপাতালে কে বা কারা নিয়ে গিয়েছে এবং পুলিশ ফোন দেয়ার পরে কেন ছোঁয়ার বাবা নারায়ণ হাসপাতালে এলো তবুও দেরি করে। এমন প্রশ্ন ঘূর্নিপাক খাচ্ছে ফণীর মত জনমনে এবং কি হাসপাতালের সুরুতহালের রিপোর্টের সাথে ফরেন্সি রিপোর্টের কোন সদৃশতা নেই বলে সূত্রে জানা যায়।

মতামত