এত অভিযানের পরও ইয়াবা কারবারী সিকান্দার সিন্ডিকেট সক্রিয়

কক্সবাজার প্রতিনিধি :কক্সবাজার টেকনাফ উপ‌জেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়ন একটি বাংলাদেশ মায়ানমারের  সীমান্তপথ। এই ইউনিয়েনর হারাইঙ্গ্যা ঘোনা নামক এলাকাটি ইয়াবার হাট নামে পরিচিত।এই এলাকার আতংকের নাম ইয়াবা গডফাদার সিকান্দার।এত অভিযান ও ক্রসফায়ারের মধ্যেও ইয়াবা কারবারী সিকান্দার  সি‌ন্ডি‌কেট দি‌নের পর দিন আ‌রো স‌ক্রিয় হ‌য়ে উ‌টেছে। উক্ত সিন্ডিকেট কৌশ‌লে বে-পরোয়া বা‌নিজ্য ক‌রে যা‌চ্ছে। তারা পূ‌র্বে বিভিন্ন ব্যবসায় জ‌ড়িত থাক‌লেও, ইয়াবা ব্যবসায় অধিক লাভের কারণে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কৌশলে দেশের বিভিন্ন জেলায় ইয়াবা পাচার করে আসছে। অল্প ব্যয়ে বেশী লাভের কা‌রনে এই সি‌ন্ডি‌কেট জ‌ড়িয়ে পড়‌ছে মরণ নেশা খ্যাত ইয়াবা ব্যবসায়। এসব মাদক ব্যবসায়ীরা নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে প্রশাসনের প্রতি এক প্রকার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে এমন মন্তব্য সচেতন মহলের। 


কিছু দিন পূ‌র্বে কক্সবাজার ‌টেকনাফ মাদক ব্যবসায়ী‌দের আত্নসর্মপন অনুষ্টানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশের আইজি ও জেলা পুলিশ সুপার সফর কালে মাদক ব্যবসায়ীদের কোন মতে ছাড় না দেওয়ার ঘোষনা দিলে ও কোন মতে বন্ধ হচ্ছেনা এই  মাদক কারবারী সি‌ন্ডে‌কেট।
অনুসন্ধানে জানা যায়,এই ইয়াবা গডফাদার সিকান্দার এক সময় হোয়াইক্যং সীমান্তে নাফনদীতে জীবিকার টানে মাছ শিকার করতো।সারাদিন মাছ শিকার করে যা পেতো তা দিয়ে কোনরকম তার পরিবার চলতো। আবার অনেক সময় পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতো।তাই দারিদ্রতা থেকে চিরতরে মুক্তি পেতে জড়িয়ে পড়ে মরণনেশা ইয়াবা ব্যবসায়। সিকান্দর যখন নাফনদীতে মাছ ধরতো তখন তার সাথে মায়ানমারের অনেক ইয়াবা ডিলারদের সাথে সম্পর্ক গড়ে উঠে। সে এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তাদের সাথে জড়িয়ে পড়ে মাদক ব্যবসায়। রাতদিন নাফনদীতে মাছ ধরার আঁঢালে মায়ানমার থেকে নিয়ে ইয়াবা।তারপর থেকে তাকে আর পিছনে ফিরে থাকাতে হয়নি। কয়েক মাসের মধ্যে হয়ে কোটিপতিদের একজন যেন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ।আরও জানা যায়, সিকান্দার সিন্ডিকেটের ইয়াবা ব্যবসার টাকার লেনদেন হয় হোয়াইক্যং মনিরঘোনা বাজারের রাশেল এর বিকাশের মাধ্যমে।


নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা যায়, উক্ত সেন্ডিকেটের প্রধান হারাইঙ্গ্যা ঘোনার মত্তুল হোসেনর ছেলে সিকান্দার এবং তার পার্টনার মহলম চাকমা সহ একটি বড় সিন্ডিকেট। এছাড়া এখা‌নে আ‌রো কিছু মাদক ব্যবসায়ী ‌উক্ত সি‌ন্ডি‌কে‌টে  জ‌ড়িত র‌য়ে‌ছে   যা পরবর্তী পর্যক্রমে প্রকাশ করা হবে।
 এসব দেশের শত্রু মাদক ব্যবসায়ীরা সর্বনাশা ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জ‌ড়িত বলে জানাগেছে।  প্রশাসন‌ের চোখ ফাঁকি দি‌য়ে ধরা‌ছোঁয়ার বা‌হি‌রে থে‌কে ব্যবসা চা‌লি‌য়ে যা‌চ্ছে এ সব মাদক সি‌ন্ডি‌কেট।
 কিছু‌দিন পূ‌র্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ইয়াবা পাচার প্রতিরোধে নাফ নদীতে মাছ শিকার বন্ধ রাখার ঘোষনায় বিপাকে পড়েছে স্থানীয় জেলে সম্প্রদায়। এর পরও মনিরঘোনার  এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী সিকান্দার  একাধিক সিন্ডিকেট করে ইয়াবা পাচার অব্যাহত রে‌খে‌ছে। পুলিশের অব্যাহত অভিযানের ফলে সীমান্তবর্তী এলাকায়  শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীরা আতংকিত হয়ে পড়লেও থে‌মে নেই তা‌দের কার্যক্রম। সিকান্দার সিন্ডিকেট  বিভিন্ন ধরনের পন্থা অবলম্বন করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলে একাধিক  সুত্রে জানা যায়। টেকনাফ সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে কৌশলে এই সিন্ডিকেট মিয়ানমার থেকে ইয়াবা এদেশে এনে তা দেশের অভ্যন্তরে পাচার করে আসছে। এসব মাদক কারবা‌রি‌দের আই‌নের আওতায় নি‌য়ে এ‌সে উপযুক্ত শা‌স্তি প্রধান করার জন্য প্রশাসন ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অ‌ধিদপ্তর‌ের হস্ত‌ক্ষেপ কামনা করছেন স্হানীরা। এবিষয়ে জানতে সিতান্দারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে বলে, আমি ইয়াবা ব্যবসা করি তো কি হয়েছে আমাদেন এলাকায় অনেক সাংবাদিক আছে। কথার এক পর্যায়ে বলে উঠে আমার পরিচিত সাংবাদিকের সাথে কথা বলুন অথবা দেখা করতে আমার এলাকায় আসেন বলে এক প্রকার হুমকির আবাস দেন।

মতামত