অপরাজিত থেকেই ফাইনালে টাইগাররা

দুই দলের আফসোস দু’রকম। আয়ারল্যান্ডের এক ভক্ত দুঃখ করে টুইট করেছেন, দুই ম্যাচেই বড় রান করেও দল জিততে পারল না। বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তদের আফসোস, ওয়েস্ট ইন্ডিজ তিনশ’ ছুঁইছুঁই রান করতে পারলো না, আয়ারল্যান্ড করল। তবে বড় লক্ষ্য তাড়ায় ৬ উইকেটের জয়টা খারাপ না।এখন ফাইনালে টাইগারদের শাপমোচনের অপেক্ষা।

বাংলাদেশের এই জয়ের দিনে চিন্তা আছে আরও একটা। সাকিব আল হাসান ‘সাইড স্ট্রেইন’ নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন। ইনজুরির কারণে বাংলাদেশ দলের বাইরে ছিলেন তিনি। এই সিরিজ দিয়ে জাতীয় দলে ফিরেছেন। দারুণ ফর্মও দেখালেন। কিন্তু আবার তিনি চোট পেয়েছেন। তবে চোট কতটা গুরুতর এখনই তা বলা যাচ্ছে না।

প্রথমে ব্যাট করে আয়ারল্যান্ড এ ম্যাচে ২৯২ রান তোলে। আইরিশ ওপেনার পল স্টার্লিং ক্যারিয়ার সেরা ১৩০ রানের ইনিংস খেলেন। উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড খেলেন ৯৪ রানের ইনিংস। তাদের ব্যাটে ভর করে বড় রান তোলে স্বাগতিকরা।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও লিটন দাস দারুণ শুরু করেন। তারা তোলেন ১১৭ রান। তামিম ফিফটি করে ৫৭ রানে আউট হন। এরপর লিটন দাস খেলেন ৭৬ রানের ইনিংস। লিটন এ ম্যাচে সৌম্য সরকারের বদলে দলে আসেন। জায়গা পেয়েই তিনি বুঝিয়ে দিলেন বিশ্বকাপের জন্য তিনিও প্রস্তুত। আউট হওয়ার আগে তিনি নয়টি চার এবং একটি ছক্কা হাঁকান।

এরপর ব্যাটে নেমে সাকিব এবং মুশফিক ভালো শুরু করেন। তাদের জুটিতে দল জয়ের কাছে চলে আসে। কিন্তু মুশফিক এ ম্যাচেও দারুণ শুরু করে ৩৫ রান করে আউট হন। ওদিকে ফিফটি করেই ইনজুরিতে পড়েন সাকিব। তিনি রিটায়ার হয়ে ফিরে যান ৫০ রানে।

সাব্বিরকে রেখে মোসাদ্দেককে ব্যাটে পাঠনো হয়। তিনি ১৪ রান করে আউট হন। তবে মাহমুদুল্লাহ ৩৫ এবং সাব্বির ৭ রান করে দলকে জিতিয়ে ফেরেন। এ জয়ে গ্রুপে অপরাজিত থেকে ফাইনালে উঠল টাইগাররা।

বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচে মন কাড়া বোলিং করেন আবু জায়েদ। তিনি ৯ ওভারে ৫৮ রান দিয়ে নেন ৫ উইকেট। ২০১৫ সালের নভেম্বরের পর কোন বাংলাদেশী পেসারের পাঁচ উইকেট এটিই প্রথম। এছাড়া রুবেল হোসেন একটি এবং সাইফউদ্দিন শেষ ওভারে দুই ব্যাটসম্যানকে বোল্ড করেন।

মতামত