ময়মনসিংহে শাশুড়ির যাতাকলের শিকার হয়ে গোপনাঙ্গ গেল জামাইয়ের

এস.ইউ. সোহান,(ময়মনসিংহ), তারাকান্দা প্রতিনিধিঃ  ১৫ ই এপ্রিল ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার বিসকা ইউনিয়নের সানুরা গ্রামে শাশুড়ির যাতাকলের শিকার হয়ে ধারালো অস্র দিয়ে জামাইর গোপনাঙ্গ কেঁটে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে-সানুরা গ্রামের মৃত মাহমুদ আলী বেপারীর পূত্র ৫ মেয়ে সন্তানের জনক মোঃ আলমাছ মিয়া(৪০)এর সাথে একই গ্রামের রেজাক মিয়ার স্রী ৩ সন্তানের জননী বকুল (৩৫) এর (বানানো)জামাই শাশুড়ী সম্পর্ক হয়।৩/৪ বছর হবে তাদের দু’জনের জামাই শাশুড়ীর এই সম্পর্ক। উভয়ের মাঝে চলতে থাকে বাড়ীতে আনাগোনা সহ নানা রকম অনুষ্টানে দাওয়াত মেহমানদারি।ঘনিষ্ট হতে থাকে জামাই শাশুড়ীর সম্পর্ক।

জামাই আলমাছ মিয়া স্রী হাওয়া বেগম আর ৫ মেয়ে সন্তানকে নিয়ে বাড়ীতে থেকে কোন রকমে সংসার চালাত। অটো রিক্সা চালিয়ে, ধান মারাই মেশিন দিয়ে কখনও ট্রাক্টর চালিয়ে সংসারের হার ধরত।
আর এদিকে শাশুড়ী বকুল তার স্বামীকে বাড়িতে রেখে পাড়ি জমায় গাজীপুরের মাওনা চৌরাস্তা গার্মেন্টসে চাকরীর উদ্দেশ্যে।এরই ধারাবাহিকতায় জামাই আলমাছকে বিভিন্ন সময় তার লালসার খপ্পরে ফেলার পায়তারা করত।সে নিজেও তার স্বাদ আহলাদ পুরনে সময় অতিবাহিত করে আসে কিন্তু আলমাছ ও বকুলের গভীর প্রেমের টানে গত ১৫ এপ্রিল মেশিনের যন্রপাতি কিনতে ময়মনসিংহে গেলে মোবাইলে যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের দেখা হয় বলে জানায় জামাই আলমাছ।তাদের দেখার কিছু সময়ের মধ্যে একটি পান খেতে দেয় বকুল।এই পান মুখে দেওয়ার একটু পরে সে আর তার ব্যাপারে কিছুই বলতে পারে না।মাঝের সময়ের ভিতর সে ঢাকায় বকুলের বাসায় চিৎকার দেয়।সেই চিৎকার শুনে বাসার মালিক টের পেয়ে এগিয়ে আসলে দেখতে পায় আলমাছের সারা গাঁয়ে রক্ত ভেঁজা কাপড়ে চটপট করে চিৎকার করছে।এমন সময় দেখতে পায় তার গোপনাঙ্গ কাটা এবং উড়ুতে কাটার আঘাত।তাৎক্ষনিক তার মোবাইল হইতে তার আত্নীয়ের নাম্বারে যোগাযোগ করে মুমুর্ষ অবস্হায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসার পর ছুটি নিয়ে সে উপজেলার নিজ বাড়ীতে অবস্হান করায় এলাকার হাজারো লোকজন তার খবর শুনে তাকে দেখতে আসছে।বর্তমানে সে কথা বলতে পারে না। যদি কথা বলে তাহলে তার শরীরের রগগুলো টানমারে বলে জানায় সে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আলমাছের মা কেঁদে কেঁদে বলেন আমার ছেলের এই অবস্হার জন্য দায়ি ঐ খারাপ মহিলা বকুল।আমার ছেলের সর্বনাশে আজ ওষুধ পত্র খাওয়াইতে পারছি না, ঘরে চাওল ডাইল কিছুই নাই কিভাবে কি করব।কি উপায় অইবো আমাদের। স্হানীয় ইউ পি সদস্য কাজলসহ এলাকাবাসী এই মহিলার উপযুক্ত বিচার দাবী করেন।বর্তমানে টাকার অভাবে সে ভাল চিকিৎসা নিতে পারছেনা।বিছানায় শুয়ে শুধু কাতরাচ্ছে।বিসকা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুছ ছালাম মন্ডল ঘঠনা শুনেছেন বলে জানান তিনি।এবিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।এনিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

মতামত