বরুড়া উপজেলার শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ ‘মোহাম্মদ এমদাদুল হক’

অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে এ বছর কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন ঝলম উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ এমদাদুল হক। অধ্যক্ষ মোহাম্মদ এমদাদুল হক কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার পানিপাড়া গ্রামে ০১ জুলাই ১৯৬৭ খ্রিঃ এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। চার ভাই বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়।

বাবা আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবদুল মালেক মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, কুমিল্লার একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। মা মরহুমা মোমেনা খানম। তিনি বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এস এস সি ও এইচ এস সি পাশ করলেও অনার্সে ভর্তি হন ‘বাংলা ভাষা ও সাহিত্য’ নিয়ে। চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় থেকে পাঠ শেষ করে ১৯৯৩ সনে প্রভাষক হিসাবে যোগদান করেন ‘মতলব ডিগ্রি কলেজ’ চাঁদপুরে। তিনি অত্যন্ত সুনামের সাথে মতলব ডিগ্রি কলেজে শ্রেণি শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৬ সনে মতলব ডিগ্রি কলেজ ছেড়ে তিনি কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার ঝলম উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন। তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্বে ঝলম উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এগিয়ে চলছে। অধ্যক্ষ মোহাম্মদ এমদাদুল হক বিবাহিত। স্ত্রী নাজমা পারভীন, পেশায় অধ্যাপক। পুত্র- নাঈমুল হক ধীমান। কন্যা ফাইরোজ আনিকা মম, ফাইরোজ ঈশিকা মীম।

তিনি পেশাগত সংগঠন বাকশিস, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক ফোরাম (উচ্চ মাধ্যমিক), সামাজিক সংগঠন কুমিল্লাস্থ চান্দিনা সমিতি, সাংস্কৃতিক সংগঠন উষসী পরিষদ সহ অনেক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তিনি কুমিল্লা বোর্ডের বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার অনুভূতি জানাতে গিয়ে তিনি বলেন- “কোন স্বীকৃতি প্রাপ্তির আশায় এ পেশায় আসিনি। সম্মান ও মর্যাদার কথা বিবেচনায় রেখেই কাজ করেছি। আর স্বপ্ন দেখেছি স্বাধীন বাংলাদেশে একই শিক্ষা ব্যবস্থায় একই কারিকুলামে সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সমান সুযোগ নিয়ে শিক্ষাকে বিশ^মানে উন্নীত করবে”। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের বৈষম্য মূলক শিক্ষা ব্যবস্থার বৈষম্যের দূরত্ব ক্রমশ বেড়েই চলছে।

এ বৈষম্য নিরসনের আকুল আবেদন রইলো রাষ্ট্রের প্রতি। এ স্বীকৃতির জন্য তিনি নির্বাচকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তাঁর প্রতিষ্ঠানের গভর্নিংবডির সভাপতি দেশ বরেণ্য চিকিৎসক প্রফেসর ডাঃ মোঃ রুহুল আমিন, গভর্নিংবডির সকল সদস্য, অভিভাবক, প্রিয় সহকর্মী, শিক্ষক কর্মচারীদের প্রতি। বিশেষ করে বরুড়ার শিক্ষার মান উন্নয়নে যারা নিরলসভাবে অবদান রেখে চলেছেন সেই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাজহারুল ইসলাম ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম জাহাঙ্গীর আলমের প্রতি।

তিনি বিশ্বাস করেন বর্তমান সংসদ সদস্য জনাব নাছিমুল আলম চৌধুরী (নজরুল) বরুড়ার শিক্ষা ও পরীক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে যে লক্ষ্য স্থির করেছেন তা বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার উন্নয়নের ক্ষেত্রে বরুড়া হবে বাংলাদেশের রুল মডেল।


মতামত