তামিমের পাল্টা দিচ্ছিলেন রনি

ফর্মে থাকতে বাংলাদেশ দলে জায়গা মিলেছিল রনি তালুকদারের। সামর্থ্যের জবাব তখন দিতে পারলে হয়তো তামিমের সঙ্গী হিসেবেই জাতীয় দলে দেখা যেত তাকে। তবে জাতীয় দল থেকে হারালেও বাংলাদেশের ক্রিকেট অঙ্গন থেকে হারিয়ে যাননি রনি তালুকদার। বিপিএলের ষষ্ঠ আসরের ফাইনালে কুমিল্লার বিপক্ষে দারুণ এক ইনিংস খেলে সেটাই বুঝিয়ে দিলেন রনি। 

বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে কেবল একটি টি-২০ ম্যাচ খেলেছেন রনি তালুকদার। মিরপুরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওই ম্যাচে ২১ রান করেন তিনি। এরপর হারিয়ে যাওয়া এই ব্যাটসম্যানদের দেখা মেলে বিপিএলের মতো আসরে। চলতি আসরেও দারুণ ছন্দে ছিলেন তিনি। ফাইনালে তা আবার দেখালেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। 

মিরপুরে বিপিএলের ফাইনালে তামিম ইকবাল খেলেন ৬১ বলে ১৪১ দুর্দান্ত রানের ইনিংস। বিপিএলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। এছাড়া বিপিএলের এক আসরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানও করেছেন তামিম। বাংলাদেশ ওপেনার সেঞ্চুরির পথে খেলেছেন এগারটি ছক্কা এবং দশটি চারের মার। রংপুর দুইশ’ রানের লক্ষ্য দেয় ঢাকাকে। 

জবাব দিতে নামা ঢাকার শুরুতেই ভালো কিছু করতে হতে। সেই কাজটা কঠিন হয়ে যায় সুনীল নারিন দলের শূন্য রানে ফিরে গেলে। কিন্তু তামিমের পাল্টা দেওয়ার দায়িত্বটা নিজের কাঁধে তুলে নেন রনি। তিনে নেমে তিনি থারাঙ্গার সঙ্গে গড়েছেন ১০২ রানের দারুন জুটি। পরে সাকিব ফিরে গেলেও খেলে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু ঢাকার জন্য ঘাতক হয়ে আসল রান আউট। ফিরে গেলেন রনি তালুকদার।  

তিনি ফিরে যাওয়ার আগে গড়েন ৩৮ বলে করেন ৬৬ রান। রনি ছক্কা তুললেন চারটি আর চারের মার ছয়টি। তার ওই ইনিংসটি ১৭৩.৬৮ স্ট্রাইক রেটে গড়া। তামিমের ইনিংসের বিবেচনায় হয়তো রনির এই ইনিংস কিছুই না। তবে ঢাকার হয়ে লড়াই করার সাহস তিনিই দিয়ে গেছেন। যখন ফিরে গেছেন ৪৭ বলে ৮৯ রান দরকার ঢাকার।

মতামত