শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে নিতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: এ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল

মো. দ্বীন ইসলাম : বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা আলোর দিশারি। তিনি দেশে ফিরে ছিলেন বলেই দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সব বাঁধা চক্রান্ত অতিক্রম করে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। শেখ হানিার নেতৃত্বে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের ২৪ দিন পর পাকিস্তানে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরেছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক শেখ মুজিব।

বৃহস্পতিবার বিকালে মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামীলীগে আয়োজনে ছেংগারচর পৌর আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের সামনের মাঠে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে এ আহ্বান জানান চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-মতলব দক্ষিণ) আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. আলহাজ¦ নুরুল আমিন রুহুল। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। এ জন্য আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগকে কেউ পরাজিত করতে পারবে না।

নুরুল আমিন রুহুল বলেন, মতলবের মাটিতে অন্যায় অবিচার আর করতে দেয়া হবে না। এ মাটিতে যারা বিগত দিনে অন্যায়-অত্যাচার করেছে তাদের ছাড় দেয়া হবে না। দলীয় কর্মকান্ড চলবে সংগঠনের নিময়ানুযায়ী। এখানে কোন স্বজনপ্রীতি চলবে না।

সংসদ সদস্য রুহুল বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, আরো এগিয়ে নিতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। শেখ হাসিনা দেশে না আসলে যুদ্ধাপরাধীর বিচার হতো না। শেখ হাসিনা ফিরেছেন বলেই ছিটমহল সমস্যার সমাধান হয়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু হচ্ছে। ফোরলেন কর্ণফুলী ট্যানেল নির্মাণ হচ্ছে। তিনি সুপরিকল্পনা নিয়ে রাজনীতি করেন বলেই আজকে দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে। আগামী ২০২১ সালের আগেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। বিএনপির ভিশনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, জাতির সামনে রূপকল্প তুলে ধরার আগে ক্ষমা চাওয়া উচিত ছিল। তাদের ভিশনে এমন কিছু আছে যা নিজেরাই বিশ্বাস করেন না। আওয়ামী লীগের কাছ থেকে নকল করে নিয়েছেন ভিশন। তাদের ভিশন মানুষ হত্যা করার ভিশন।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এখনো ষড়যন্ত্র চলছে দাবি করে নুরুল আমিন রুহুল বলেন, শেখ হাসিনাকে এখনো গ্রেনেড তারা করে। মনে রাখবেন শেখ হাসিনার কিছু হলে সারা বাংলায় আগুন জ্বলবে। ১৯৭৫ সাল, ২০০৪ সাল আর ২০১৭ সাল এক নয়। আওয়ামী লীগের প্রত্যেক নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ হলে কেউ পরাজিত করতে পারবে না। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে বিএনপি আসবে। তাদের নিয়ে বিচলিত হওয়ার কিছুই নেই। বিরোধীদের নিয়ে বিচলিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। আগামী নির্বাচনে জনগণের ভোটের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে।

উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাড. রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এমএ কুদ্দুসের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- উপজেলা চেয়ারম্যান মনজুর আহমদ, উপজেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি শহীদ উল্লাহ প্রধান, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গাজী আইয়ুব আলী, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান কালু, আ.লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা হাসান ইমাম, পৌর আ.লীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) হাজী মনির হোসেন, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান পরিষদের সভাপতি বাবু রাধে শ্যাম সাহা, উপজেলা আ.লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন মাষ্টার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মোজাম্মেল হক, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নিলুফা আক্তার, যুবলীগের সভাপতি দেওয়ান মো. জহির, সাধারণ সম্পাদক কাজী শরীফ, মহিলা আ.লীগের সভাপতি পারভীন শরীফ, কৃষকলীেেগ সাধারণ সম্পাদক জিএম ফারুক, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সস্পাদক শাহজালাল মাষ্টার, শ্রমিক লীগের সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, ছাত্র লীগের সাবেক আহ্বায়ক এ্যাড. মহসিন মিয়া মানিক প্রমুখ।

এ সময় শাহবাগ থানা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তার হোসেন, কেন্দ্রীয় ষাটনল ইউপি চেয়ানরম্যান একেএম শরীফ উল্লাহ সরকার, বাগানবাড়ি ইউপি চেয়ানরম্যান মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ নান্নু মিয়া, যুবলীগ নেতা রিয়াজুল হাসান রিয়াজ, বঙ্গবন্ধু গবেষনা পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা আমিনুল ইসলাম হান্নান পৌর আ.লীগের সভাপতি হাসান কাইয়ুম চৌধুরী, কলাকান্দা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম কাদির মোল্লা, আওয়ামীলীগ নেতা আল মাহমুদ টিটু মোল্লা, কাজী মিজানুর রহমান, জহিরাবাদ ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি গাজী মুক্তার হোসেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আতিকুল ইসলাম শিমুল, উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান ইয়ার, প্রচার সম্পাদক রেফায়েত উল্লাহ দর্জি, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা বোরহান উদ্দিন ডালিম, ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম মিজান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাড. সেলিম মিয়া, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম চৌধুরী, আমেরিকা প্রবাসী কাশেম ফরাজী, পৌর যুবলীগ নেতা জামান সরকার, ওমর খান, শাহাদাত হোসেন, নাজমুল খান, মিজানুর রহমান, পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহবুব আলম বাবু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী নূর বেপারী, ছাত্রলীগ নেতা সুমন বেপারী, মুকুল খান’সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মতামত