ত্রিশালে হত্যা মামলার আসামি আটক

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ত্রিশালে প্রায় একমাস পলাতক থাকার পর গতকাল বুধবার দুপুরে জেলা শহরের জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে হত্যা ও মারামারি মামলার আসামি বাবুল মিয়া ও তার ছেলে ঘাতক জনিকে আটক করেছে ত্রিশাল থানা পুলিশ।

জানা যায়, যৌতুকের টাকা না দেয়ায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের কোনাবাড়ী নদীরপাড় এলাকায় ২০১৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রাতে স্বামীর হাতে খুন হয়েছিলেন স্ত্রী পপি আক্তার (২৪)। হত্যাকান্ডের ঘটনায় ঘাতক স্বামীকে ওইদিনই আটক করেছিল ত্রিশাল থানা পুলিশ। প্রায় ৮ মাস কারাবাসের পর জামিনে মুক্তি পেয়ে বাড়ি ফিরে ঘাতক জনি। মামলা প্রত্যাহার না করায় গত ৩ ডিসেম্বর ঘাতক জনি ও তার বাবা লোকজন নিয়ে পপির বাড়িতে যায়। ওই সময় কাউকে না পেয়ে তার জেঠা মোতালেবকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে তারা। হাসপাতাল থেকে ফিরে গত ১২ ডিসেম্বর হামলা ও মারধরের ঘটনায় মোতালেব বাদি হয়ে তিনজনকে আসামি করে ত্রিশাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। প্রায় একমাস পলাতক থাকার পর গতকাল বুধবার দুপুরে ময়মনসিংহ শহরের জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে হত্যা ও মারামারি মামলার আসামি বাবুল মিয়া ও তার ছেলে ঘাতক জনিকে আটক করে পুলিশ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই পলাশ ব্যানার্জি জানান, প্রায় একমাস পলাতক থাকার পর বুধবার ময়মনসিংহ শহরের জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে হত্যা ও মারামারি মামলার আসামি বাবুল মিয়া ও তার ছেলে জনিকে আটক করা হয়।

উল্লেখ্য; প্রায় দেড় বছর আগে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কোনাবাড়ী গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে ঘাতক জনি ৫ লাখ টাকার যৌতুক না পেয়ে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে স্ত্রী পপি আক্তারকে হত্যা করে। যাদের দুই বছর বয়সি রিতু নামে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

মতামত