নূরুল মজিদ হুমায়ূনকে শিল্প মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব দেওয়ায় এলাকাবাসীর আনন্দ উল্লাস

মো: শাহাদাৎ হোসেন রাজু, নরসিংদী প্রতিনিধি : নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব) আসন থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে চারবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন নতুন মন্ত্রী সভায় স্থান পেতে যাচ্ছেন। তিনি শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন। তার মন্ত্রী হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে দলীয় নেতাকর্মীসহ পুরো নরসিংদীবাসী আনন্দ উল্লাসে ফেটে পড়ে।

রবিবার দুপুরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে তাকে ফোন করে আগামীকাল সোমবার শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়। নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বর্তমানে বানিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

স্থানী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জানায়, ৬০’র দশকে পাকিস্থানের স্বৈরাচারী শাসক আইয়ূব-মোনায়েম বিরোধী আন্দোলনের সংগ্রামী ছাত্রনেতা রাজপথের সাহসীযোদ্ধা অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। ১৯৬৬ সালে ৬ দফা আন্দোলনসহ ঐতিহাসিক ৭ই জুনের মিছিলেও তিনি ছিলেন অগ্রভাগে। ৬৯’র গণ-অভূত্থানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে তার অগ্রনী ভূমিকা ছিলো।
বাংলাদেশ যুবলীগের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই অ্যাডভোকেট নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন যুবলীগের একজন কেন্দ্রীীয় নেতা হিসেবে নেতৃত্ব দেন। ১৯৭৫’র ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে নির্মম হত্যাকান্ডের পর তিনি যুবলীগকে সংগঠিত করে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে দলের দুর্দিনে যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। যার ফলশ্রুতিতে ১৯৮৬ সালে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নরসিংদী ৪ (মনোহরদী-বেলাব) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে নবম জাতীয় সংসদ থেকে সদ্য সমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত টানা তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। নবম জাতীয় সংসদে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১০ম জাতীয় সংসদে দীর্ঘদিন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সরকারের উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সংসদীয় এলাকা মনোহরদী-বেলাবতে করেছেন ব্যাপক উন্নয়ন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে ২ লাখ ৪০ হাজার ১৯ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সর্বশেষ আজকে শিল্প মন্ত্রাণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে শপথ অনুষ্ঠানে ডাক পেয়েছেন। এতে মনোহরদী ও বেলাব উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তাঁর অঙ্গ-সংগঠন, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের প্রধানরাসহ পুরো জেলাবাসী উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।

উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে মনোহরদী পৌর মেয়র আমিনুর রশিদ সুজন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এমপি মহোদয়কে যথাযথ মূল্যায়ন করার জন্য। এতে মনোহরদী-বেলাববাসীর দীর্ঘদিনের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়েছে।
বেলাব উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মোহাম্মদ আলী খান রিপন বলেন, পূর্ণ মন্ত্রী করে হুমায়ূন ভাইকে রাজনৈতিকভাবে যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়েছে। কারণ দলে তাঁর ত্যাগ-তিতীক্ষা অপরিসীম। উনি ছিলেন আমাদের মনোহরদী ও বেলাব উপজেলার আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের নৌকার মাঝি।
রবিবার বিকেলে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে বিষয়টি নিশ্চিত করে সাংসদ নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, আল্লাহ তায়ালার দরবারে অশেষ শুকরিয়া। কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি মাননীয় দেশনেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। পাশাপাশি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমাদের মনোহরদী ও বেলাব এলাকার প্রত্যেকটি জনগণকে। তাদের ভালবাসায় আমি বিপুল ভোটে চতুর্থবারের মতো সাংসদ নির্বাচিত হয়েছি।

থানী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জানায়, ৬০’র দশকে পাকিস্থানের স্বৈরাচারী শাসক আইয়ূব-মোনায়েম বিরোধী আন্দোলনের সংগ্রামী ছাত্রনেতা রাজপথের সাহসীযোদ্ধা অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। ১৯৬৬ সালে ৬ দফা আন্দোলনসহ ঐতিহাসিক ৭ই জুনের মিছিলেও তিনি ছিলেন অগ্রভাগে। ৬৯’র গণ-অভূত্থানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে তার অগ্রনী ভূমিকা ছিলো।
বাংলাদেশ যুবলীগের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই অ্যাডভোকেট নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন যুবলীগের একজন কেন্দ্রীীয় নেতা হিসেবে নেতৃত্ব দেন। ১৯৭৫’র ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে নির্মম হত্যাকান্ডের পর তিনি যুবলীগকে সংগঠিত করে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে দলের দুর্দিনে যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। যার ফলশ্রুতিতে ১৯৮৬ সালে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নরসিংদী ৪ (মনোহরদী-বেলাব) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে নবম জাতীয় সংসদ থেকে সদ্য সমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত টানা তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। নবম জাতীয় সংসদে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১০ম জাতীয় সংসদে দীর্ঘদিন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সরকারের উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সংসদীয় এলাকা মনোহরদী-বেলাবতে করেছেন ব্যাপক উন্নয়ন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে ২ লাখ ৪০ হাজার ১৯ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সর্বশেষ আজকে শিল্প মন্ত্রাণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে শপথ অনুষ্ঠানে ডাক পেয়েছেন। এতে মনোহরদী ও বেলাব উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তাঁর অঙ্গ-সংগঠন, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের প্রধানরাসহ পুরো জেলাবাসী উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।

উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে মনোহরদী পৌর মেয়র আমিনুর রশিদ সুজন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এমপি মহোদয়কে যথাযথ মূল্যায়ন করার জন্য। এতে মনোহরদী-বেলাববাসীর দীর্ঘদিনের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়েছে।
বেলাব উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মোহাম্মদ আলী খান রিপন বলেন, পূর্ণ মন্ত্রী করে হুমায়ূন ভাইকে রাজনৈতিকভাবে যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়েছে। কারণ দলে তাঁর ত্যাগ-তিতীক্ষা অপরিসীম। উনি ছিলেন আমাদের মনোহরদী ও বেলাব উপজেলার আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের নৌকার মাঝি।
রবিবার বিকেলে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে বিষয়টি নিশ্চিত করে সাংসদ নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, আল্লাহ তায়ালার দরবারে অশেষ শুকরিয়া। কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি মাননীয় দেশনেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। পাশাপাশি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমাদের মনোহরদী ও বেলাব এলাকার প্রত্যেকটি জনগণকে। তাদের ভালবাসায় আমি বিপুল ভোটে চতুর্থবারের মতো সাংসদ নির্বাচিত হয়েছি।

মতামত