কর্নেল তাহের ছিলেন নায়ক, জিয়া খলচরিত্র: ইনু

তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার গণঅভ্যুত্থানে কর্নেল তাহের সামরিক শাসন, বঙ্গবন্ধুর খুনি ও অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে দেশকে উদ্ধারের প্রচেষ্টা চালান। আর খলচরিত্র জিয়া ক্ষমতার লোভে তার অনুসারীদের দিয়ে খালেদ মোশাররফ, কর্নেল কে এন হুদা, লে. কর্নেল এটিএম হায়দারকে ও পরে কর্নেল তাহেরকে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করেন। এ কারণে কর্নেল তাহের ৭ নভেম্বরের নায়ক, আর জিয়া খলনায়ক।

বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউর জাসদ কার্যালয়ে শহীদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে ৭ নভেম্বর ‘সিপাহি-জনতার গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে জাসদ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এ কথা বলেন।

ইনু বলেন, ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার গণঅভ্যুত্থানে গণতন্ত্রের জন্য হাজার হাজার সিপাহি বিদ্রোহ করেছিলেন। জিয়াউর রহমান সিপাহিদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে দেশটাকে আবার সামরিক ও সাম্প্রদায়িক শাসনে নিয়ে যান। জিয়া ক্ষমতার লোভে খলচরিত্র হন। ক্ষমতা কুক্ষিগত করার চক্রান্ত হিসেবে তার অনুগত সৈনিকদের দিয়ে খালেদ মোশাররফ-হুদা-হায়দারকে হত্যা করেন। এখানেই তিনি ক্ষান্ত হননি, পরে কর্নেল তাহের ও হাজার হাজার সৈনিককে হত্যা এবং চাকরিচ্যুত করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সিপাহি বিদ্রোহে কোনো সৈনিক নয়, জিয়ার চক্রান্তেই তার অনুসারীরা মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের হত্যা করেছিল।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর পূর্ব জাসদের সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এমপি, কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট রবিউল আলম, স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান শওকত, নাদের চৌধুরী, নুরুল আখতার, সহ-সভাপতি আফরোজা হক রীনা, সফি উদ্দিন মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নইমুল আহসান জুয়েল, ওবায়দুর রহমান চুন্নু প্রমুখ।

মতামত