উন্নতির জন্যই মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে: প্রধানমন্ত্রী


প্রতিবেদক •


১৪ দলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা- ফোকাস বাংলা

আগামী নির্বাচনে ভোট দিয়ে দেশের মানুষ আবারও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, দেশের মানুষের মনে নতুন স্বপ্ন জাগ্রত হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে দেশ উন্নত হয় সেটি এখন বিশ্বাস করে দেশের মানুষ। আমরা আশা করি, আগামীতে মানুষ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে এদেশ উন্নয়নশীল থেকে উন্নত দেশের মর্যাদা পাবে। মানুষ নিজেদের উন্নতির জন্যই আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে।

রোববার গণভবনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আগামী নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক জোট ও দলের সঙ্গে চলমান সংলাপের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী ১৪ দল নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে মানুষ নৌকা মার্কায় ভোট দেবে। বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এলে দেশ আবারও মানি লন্ডারিং, দুর্নীতি, জঙ্গি ও সন্ত্রাসের জনপদে পরিণত হবে। মানুষ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হবে। তাদের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে না।

তিনি বলেন, গত দশ বছরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় দেশের উন্নয়নে কাজ করেছে। এই সরকার জনগণের জন্য কাজ করে দেশের প্রবৃদ্ধি বাড়িয়েছে। আবারও ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করা হবে। আওয়ামী লীগ না এলে দেশের সব উন্নয়ন নষ্ট হয়ে যাবে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, আগামী নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। এতে কোনো সন্দেহ নেই। এই সরকারের সময় অনুষ্ঠিত সব নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। এসব নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীরাও জয়লাভ করেছেন।

তিনি বলেন, পঁচাত্তরের পর অবৈধভভাবে ক্ষমতা দখলকারীরা স্বাধীনতার স্বপ্ন নস্যাৎ করে দিয়েছিল। ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ শুরু করে। ২০০৮ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত প্রায় ১০ বছর আওয়ামী লীগের আমলে বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। দারিদ্র্যের হার কমেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামীতে জনগণ যাকে ভোট দেবে তারাই ক্ষমতায় আসবে। ভোট মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। ভোট নিরপেক্ষ হবে, এতে কোনো সংশয় নেই। জনগণ যাকে ভোট দেবে তারাই সরকার গঠন করবে। জনগণই ক্ষমতার মালিক।

প্রধানমন্ত্রীর সূচনা বক্তব্যের পর রুদ্ধদ্বার মতবিনিময় সভা হয়। এ সময় আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মতামত