বরুড়ায় এস আই মনিরের সাহসিকতায় প্রাণ বাচল সিরাজগঞ্জের আবদুল হাইয়ের


এমডি আজিজুর রহমান, বরুড়া 


কুমিল্লার বরুড়ায় এস আই মনির হোসেন এর সাহসিকতায় আবদুল হাই নামের এক ব্যাক্তি প্রাণে বেচে যায়। জানা যায়, উপজেলার শিলমুড়ী ইউনিয়নের লাইজলা নামক স্থানে শনিবার রাত অনুমান সারে ৮ টায় সিএনজি ও মাইক্রোবাসের মুখ-মুখি সংঘর্ষের ঘটনায় আবদুল হাই (৪৫) গুরুতর আহত হয়। আহত আবদুল হাইয়ের গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ। সে পেশায় একজন ক্যানবাসার। ঘনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমম্পেøক্সে চিকিৎসার জন্য পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসক কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিতে বলে। অভিভাবকহীন আবদুল হাইয়ের অচেতন দেহ হসপিটালের বারান্দায় রাখা হয়। তখন তার শরির থেকে রক্তক্ষরন হচ্ছিলো। যখন উৎসুক জনতা কুমিল্লায় নেওয়ার পরিবর্তে মনে হয় যেনো বায়ূস্কুপে চোখ রেখে সিনেমার দৃশ্য দেখছে। ঠিক তখনি খবর পেয়ে দুর্ঘটনাস্থলকে ফিরে বরুড়া থানার এস আই মনির হোসেন হসপিটালে উপস্থিত হন।

দ্রুত নিজ দায়িত্বে এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে আহত আবদুল হাইকে কুমেক হাসপাতালে নিয়ে যান। তখন রাত সারে ৯ টা বাজে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরনের ৩ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হলে সে বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ করে রাত ৩ টার মধ্যে রক্তের ব্যবস্থা করে দেন। তার ডাকে বরুড়া উপজেলার একাধিক যুবক সারা দেয়। অবশেষে রাত সারে ৪ টায় জ্ঞান ফিরলে তার গ্রামের লোকজনকে বিষয়টি অবহিত করেন। তার চিকিৎসার বাবদেও সমুদয় খরছ তিনিই বহন করেন। পরের দিন তার পরিবারের লোকজন তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হসপিটালে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে তার পরিবার এস আই মনির হোসেনের প্রতি দারুন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এব্যাপারে এস আই মনির হোসেন বলেন, আমি আমার পেশাগত দায়ীত্বের বাহিরে এ কাজটি করেছি। এখানে আমার মানবিক দৃষ্টিগুনকে প্রাধান্য দিয়েছি। আমার উছিলায় একটি প্রাণ বেঁচে গেছে, এতেই আমি আল্লাহর কাছে শোকরিয়া আদায় করছি। এছাড়াও আমার শুভাকাঙ্খি চান মিয়া, ইসমাইল হোসেন মোল্লা, ইমরান মালালাসহ আরো অনেকে আমাকে সহযোগীতা করেন।

মতামত