বরুড়ায় মেহেদি রং মুছার আগেই পৃথক ২টি স্থানে নববধুু ও বরের আত্নহত্যা ?

এম.ডি আজিজুর রহমান, বরুড়া: কুমিল্লা বরুড়া উপজেলায় গত দুই দিনে পৃথক দুটি স্থানে এক নববধূ ও বর গলায় ফাস দিয়ে আত্নহত্যা করে। জানা যায়, উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের পেরপেটি গ্রামের আবদুল আজিজের কন্যা খাদিজা আক্তার (১৮) আড্ডা ডিগ্রী  কলেজের ১ম বর্ষের ছাত্রী। গত ৭  এপ্রিল আড্ডা ইউনিয়নের পোমবাইশ গ্রামের সাদেক মিয়ার পুত্র চাকরিজীবি মহিউদ্দিনের সাথে বিবাহ হয়। গত কয়েকদিন পূর্বে সে কলেজে পরীক্ষার উপলক্ষে পেরপেটি বাবার বাড়িতে যায়। শুক্রবার দুপর ১টার দিকে বাবার বাড়িতে নিজ ঘরে গলায় ওড়না পেছিয়ে আতœহত্যা করে। আতœহত্যার বিষয়ে খাদিজার ভাই থানায় অভিযোগে উল্লেখ করেন গত কয়েক মাস ধরে পেটের পিড়া সহ নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারনেই হয়তবা আতœহত্যা করেছে। বিকেলে খাদিজার লাশ কুমেক হসপিটালের মর্গে পেরন করে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায় খাদিজা আক্তারের সাথে জনৈক একটি ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো, তার মতামত না নিয়ে বিয়ে দেওয়ায় কিছুটা অমত ছিলো। বিয়ের পর বাবার বাড়ি থেকে একাধীকবার পালিয়ে যাওয়ার চেস্টায় ব্যর্থ হয়ে হয়তো বা আতœহত্যা করেছে বলে ধারনা এলাকাবাসি। নব বিবাহিত স্ত্রীর আতœহত্যার কথা শুনে স্বামী মহিউদ্দিন অসুস্থ হয়ে হসপিটালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এদিকে গতকাল বরুড়া খোশবাস ইউনিয়নের দেওয়াননগর গ্রামের আবুল হোসেনের পুত্র বাড়ির বসত ঘরে দুপরে গলায় ওড়না পেছিয়ে আতœহত্যা করে। গত ১৩ পূর্বে নাছির উদ্দিন একই উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বাতাইছড়ি গ্রামে বিয়ে করে । এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত বরুড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ ইকবাল বাহার মজুমদার ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ থানায় নিয়ে আসেন। আতœহত্যার কারন জানা যায়নি।

মতামত