আমাকে নিবে তোমার সাথে

:জামাল উদ্দিন জীবন: ঝড় বৃষ্টির রাত প্রচন্ড বাতাস বইছে বাহিরে।প্রতিদিনের ন্যায় আজও অফিস হতে বাসায় ফেরার পালা তনয়ের।একটা প্রাইভেট কোম্পানীতে কাজ করে তনয়।বাহিরের পরিস্হীতি এতোটা খারাপ হবে বুঝতে পারেনী।কিছুটা পথ এসে আটকা পড়লো সে।একটু দাঁড়াবার জায়গাও নাই কাক ভেজা হয়ে যাচ্ছে আস্তে আস্তে।উপায় অন্ত না দেখে একটা বাড়ির গ্যারেজর ভিতরে এসে দাঁড়িয়েছে।রাত দশটা বাজে মোবাইলের চার্জটাও শেষ হলো এখন একটা ফোনও দিতে পারছে না।কি আর করার নিরুপায় হয়ে বসে থাকে গ্যারেজ রুমে।রুনা বাহির থেকে বাসায় ফিরে।উপরে উঠতে গিয়ে দেখে একটা লোক নিচে দাঁড়িয়ে আছে।দেখেতো ভদ্রলোক মনে হচ্ছে তবে এখানে এভাবে দাঁড়িয়ে আছে কেন।কৌতহল বসত রুনা জানতে চায় আপনি কি কাউকে খুজছেন।তনয় অপ্রস্তুত থাকাতে নিজেকে সামলে নিয়ে বলল জি না আসলে আবহাওয়ার বিরুপ পরিস্হীতির কারণে এখানে একটু আশ্রায় নিয়েছি,স্বাভাবিক হলেই চলে যাব।রুমা ও আচ্ছা ঠিক আছে বলে চলে যায় উপরে আর তনয় সে দিকে ফেল ফেল করে তাকিয়ে থাকে।ঘন্টা দুয়েক পর বৃষ্টি কিছুটা কমেছে তনয় ভাবছে এখনি বেড়িয়ে পড়তে হবে না হলে সারা রাত কি এখানেই কাটাবো।বেশ কিছুটা সময় পার হলো এরি মধ্যে।শপিং করার জন্য তনয় আজ নিউমার্কেটে গেছে।রুমা তার বান্ধবীদের নিয়ে কিছু কেনা কাটা করবে বলে বেড়িয়েছে।খুব গরম পড়ছে আজ এক ফাঁকে তনু বলে চল ঠান্ডা কিছু খেয়ে নেই।তনয় শপিং শেষ করে এবার এসে দাঁড়ালো দোকানের সামনে।আমাকে একটা লাচ্ছি দেনতো।রুমা ও তার বান্ধবীরা অনেক আগেই এসেছে তারাও খাবারের কথা বলেছে কিন্তু দিতে দেরি করছে দোকানি।দোকানি লাচ্ছি দিতে যাবে তনয়কে এমন সময় ঘটলো মহা কান্ড তনু বলে আপনি কেন আমাদের আগে না দিয়ে ওনাকে দিচ্ছেন।তনুর কথার সাথে সাথে তনয় রুমা সকলে তাকালো সেই দিকে।তনয় বলছে আচ্ছা ঠিক আছে আপনি ওনাদের দেন আমার লাগবে না।রুমা দেখে তনয় চলে গেল সেখান হতে।রুমার মনে পড়ে তাকে সেই রাতে কিছু প্রশ্ন করে ছিল।কিছু না বলে ভাবতে থাকে এই লোকটির সাথে আমার কেন হটাৎ করে এভাবে দেখা হচ্ছে বার বার।মাস তিনেক পর রুমা আজ নিজের এলাকার বাহিরে গেছে একটি কাজে। ফেরার পথে গাড়ির জন্য দাঁড়িয়ে আছে এমন সময় দু/তিনজন এসে তার গতি রোধ করে বলছে যা আছে চুপচাপ দিয়ে দাও কোন কথা হবে না্।রুমা কিছুই বুঝতে পারছে না জায়গাটা একটু নির্জনও বটে।পাশের লোকটি বলছে তারা তাড়ি কর একজন এসে তার হাতে হাত রেখে বেলছে যদি বাঁচতে চাও তবে—-এরি মধ্যে তনয়ের আগমন ঘটলো।তনয় প্রথমে বিষয়টি খেয়াল করেনী পড়ে দেখে বুঝতে পারে একটা জামেলা হয়েছে হয়তো।একটু সামনে গিয়ে কানটা পিছনের দিকে পেতে রাখে ব্যুঝতে চেষ্টা করে কি হচ্ছে ঘটোনাটা।হুম বুঝেগেল তাদের ফিস ফিস কথাতে কি ঘটতে চলেছে।রুমা একবার ডাকলো প্লিজ একটু শুনবেন তাতেই সব কিছু বুঝে গেল তনয়।সেখান হতে রুমাকে উদ্ধার করে তনয় বলে এবার আপনি যেতে পারেন আর কোন ভয় নেই।রুমা বলে আমাকে নিবে তোমার সাথে?তনয় বলে কোথায়?রুমা তুমি যেখায় থাক সেখানে।08.05.2017 জীবন মোহাম্মাদপুর ঢাকা।

মতামত